ডা. আজিমুননেছা (শিউলী)

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

Dr. Azimunnessa (Sheyuli) Hormone & Thyroid Specialist FCPS, MBBS, ACP, FCPS-Endocrinology Bardem General Hospital, Shahbag, Dhaka

ডা. আজিমুননেছা (শিউলী)

মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ

এফসিপিএস (মেডিসিন), এমবিবিএস (ডিইউ) মেম্বার, এসিপি (আমেরিকা) এফসিপিএস-এন্ডোক্রাইনোলজি (থিসিস)

কনসালটেন্ট বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা।

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ১০০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডা. রুবাইয়াৎ হাসান চৌধুরী

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

Dr. Rubaiyat Hasan Hormone & Thyroid Specialist

ডা. রুবাইয়াৎ হাসান চৌধুরী

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

এফসিপিএস (মেডিসিন), এমসিপিএস (মেডিসিন) (‌মেম্বার, এসিপি (আমেরিকা), এমবিবিএস (ডিইউ)

সহকারী অধ্যাপক

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা। বিআইএইচএস জেনারেল হাসপাতাল 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ১০০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডা. মানিফা আফরিন

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

Dr. Manifa Afrin Child Health Specialist Mbbs, Dch, MD Assoc. Prof.Universal Medical College, Dhaka

ডা. মানিফা আফরিন

শিশু ও নবজাতক বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এমডি (শিশুরোগ) উচ্চতর প্রশিক্ষণ শিশুরোগ আইসিইউ (আইপিজিএমআর, চন্ডীগড়, ভারত)

সহযোগী অধ্যাপক – শিশু ও নবজাতক বিভাগ ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ১০০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

অধ্যাপক ডা. মো. মিজানুর রহমান

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

অধ্যাপক ডা. মো. মিজানুর রহমান -------------------------- এমবিবিএস, এমডি (শিশু স্বাস্থ্য), ডিইউ অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (প্রাক্তন) বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, ঢাকা

অধ্যাপক ডা. মো. মিজানুর রহমান

নবজাতক ও শিশু কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এমডি (শিশু স্বাস্থ্য), ডিইউ
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (প্রাক্তন)
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, ঢাকা

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ১০০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

চেম্বার: আলোক হেলথকেয়ার (মিরপুর-১) ২১, দারুস সালাম রোড, মিরপুর-০১, ঢাকা-১২১৬

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডা. ফারহানা রহমান

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

DR. FARHANA RAHMAN Gynae Specialist

ডা. ফারহানা রহমান

বন্ধাত্ব এবং ল্যাপারোস্কপিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত

এমবিবিএস, ডিজিও, এফসিপিএস (পটি-২) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা

কনসালটেন্ট (গাইনি বিভাগ)

নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্র, পল্লবী, মিরপুর।

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ১০০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডা. শামসুন নাহার (রিক্তা)

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

DR. SHAMSUN NAHAR (RIKTA) Gynae Specialist MBBS, FCPS, MCPS (Gynae And Obs) Assoc. Professor, Delta Medical College And Hospital, Mirpur

ডা. শামসুন নাহার (রিক্তা)

সহযোগী অধ্যাপক (গাইনি বিভাগ)

এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমসিপিএস (গাইনি এবং অবস) সহযোগী অধ্যাপক (গাইনি বিভাগ) ডেল্টা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মিরপুর। বন্ধাত্ব এবং ল্যাপারোস্কপিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ১০০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

অধ্যাপক (ডাঃ) এম. এ সবুর

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

অধ্যাপক (ডাঃ) এম. এ সবুর

অধ্যাপক (ডাঃ) এম. এ সবুর

অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (মেডিসিন বিভাগ)

এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন)
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (মেডিসিন বিভাগ)
ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳৮০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

চেম্বার সময়সূচী-

মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস ।

গনোরিয়া কি ? উপসর্গ, কারণ, চিকিৎসা, প্রতিরোধ।

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

গনোরিয়া কি ? উপসর্গ, কারণ, চিকিৎসা, প্রতিরোধ।

গনোরিয়া কি ? উপসর্গ, কারণ, চিকিৎসা, প্রতিরোধ।

গনোরিয়াঃ একটি রোগের নাম। যা সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। গনোরিয়া হচ্ছে, একটি যৌনবাহিত রোগ। পুরুষের ক্ষেত্রে এই রোগে প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া ও মূত্রনালি দিয়ে পুজ বের হয়।

পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে পুঁজ বের হওয়া, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত জীবাণুবাহিত রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশনজনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে। 

সাধারণত নারীদের চেয়ে পুরুষরাই এই যৌনরোগে বেশি আক্রান্ত হয়। শুধু নারী ও পুরুষের মেলামেশার কারণেই এ রোগ ছড়ায়।

এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার ক্রমশ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।

গনোরিয়া রোগের উপসর্গ.

গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে পুরুষের বিভিন্ন গ্রন্থি যেমন প্রোস্টেট গ্রন্থি, শুক্রনালি, এপিডিডাইমিসে তীব্র প্রদাহের সৃষ্টি করে। আক্রান্ত ব্যক্তির পুরুষাঙ্গের সম্মুখভাগে পুঁজজাতীয় পদার্থ লেগে থাকতে দেখা যায় ও হালকা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। কিছুদিন পর রোগের উপসর্গ কিছুটা কমে যায়। তবে এর মানে এই নয় যে রোগটি সেরে গেছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা দেখা দিতে পারে। আর দীর্ঘমেয়াদি জটিলতায় শুক্রনালি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, উপ-শুক্রাশয় (এপিডিডাইমিস) নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির পিতা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যায়।

নারীর উপসর্গ.

নারীদের ক্ষেত্রে যোনিপথের গ্রন্থি, বিশেষ করে জরায়ুমুখের গ্রন্থিগুলো এ জীবাণুতে আক্রান্ত হয়। পরে এ জীবাণু ডিম্বনালিকে আক্রমণ করে। একসময় যোনিপথ ও মূত্রপথ—উভয়ই আক্রান্ত হয় এবং পুঁজ বের হতে দেখা যায়। প্রস্রাবে তীব্র ব্যথা, জ্বালাপোড়া শুরু হয়। আবার ডিম্বনালি দিয়ে জীবাণু দেহের গভীরে প্রবেশ করতে পারে।

দীর্ঘদিন আক্রান্ত থাকলে ডিম্বনালি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে সন্তান ধারণক্ষমতা হারাতে পারেন ওই নারী। আবার আক্রান্ত নারী কোনো সন্তান প্রসব করলে ওই সন্তানের চোখ এ জীবাণুতে আক্রান্ত হতে পারে।

গনোরিয়া রোগের কারণ.

এ রোগে অল্প বয়সের মেয়ে এবং শিশুরা ও আক্রান্ত হতে পারে। বাচ্চারা সংক্রমিত বিছানার চাদর, তোয়ালে থেকে রোগটি অর্জন করতে পারে। ঘনবসতি এবং অপরিচ্ছন্নতা থেকেও বাচ্চাদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর ও আক্রান্ত মাতৃদেহ হতে সংক্রমিত হতে পারে। যৌন মিলনের সময় আক্রান্ত দেহের বহিযৌনাঙ্গ, মুখ ও পায়ু থেকে সংক্রমণ ঘটে।

ডিসচার্জ.

এই রোগের ইনফেকশনের সর্বাধিক কমন লক্ষণ হচ্ছে ডিসচার্জ।  ডিসচার্জ পাতলা হতে পারে অথবা ঘন হতে পারে, এটি পুরুষভেদে নির্ভর করে। সিডিসি অনুসারে, কোনো পুরুষ ইনফেক্টেড হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে তার ডিসচার্জের অভিজ্ঞতা হবে। ডিসচার্জের বর্ণ কিংবা পরিমাণ যাই হোক না কেন কিংবা ডিসচার্জ প্রতিনিয়ত হোক বা অনিয়মিত হোক, কোনো ডিসচার্জই স্বাভাবিক নয়। যেকোনো ধরনের ডিসচার্জ হলে আপনার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

নিতম্বে চুলকানি.

মায়ো ক্লিনিক অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে মলদ্বারীয় চুলকানি ও ডিসচার্জ বা রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া হতে পারে এবং প্রাকৃতিক কর্ম সারার সময় ব্যথা অনুভব হতে পারে।

গলা ব্যথা.

ওরাল সেক্স থেকেও গনোরিয়া হতে পারে। গলায় গনোরিয়া ডেভেলপ হওয়া অনেক লোকের উপসর্গ দেখা দেয় না।  কারো কারো গলাব্যথা হতে পারে এবং লসিকাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।

ব্যথা বা ফোলা.

গনোরিয়া ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী স্থানে, যেমন- অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষ, ছড়ানো শুরু করলে এপিডিডাইমিসে প্রদাহ হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে কুঁচকি ব্যথা।

গর্ভাবস্থায় গনোরিয়া রোগ .

গনোরিয়ার জীবাণু গর্ভবতী নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে নারীর বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় নারীরা গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

গনোরিয়া রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা.

এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস শুনতে হবে। তারপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পদার্থ এবং নারীদের মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।

গনোরিয়া রোগ থেকে মুক্তির উপায়/চিকিৎসা.

সাধারণত পেনিসিলিন ব্যবহারে সংক্রমণ সেরে যায়। পেনিসিলিন রেজিস্টেন্ট ব্যক্তিকে সেনসিটিভ ওষুধে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। জটিলতাহীন গনোরিয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত একক মাত্রায় উপযুক্ত জীবাণুবিরোধী বা অ্যান্ট্রিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ বেশ ভালো কাজ দেয়। এছাড়া অবস্থা জটিল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কাজ করাই উত্তম।

সকল ব্লগ পোস্ট সমূহ -

গরমে ঘামাচি কেন হয়- হলে কী করবেন?

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

গরমে ঘামাচি কেন হয়- হলে কী করবেন?

গরমে ঘামাচি কেন হয়- হলে কী করবেন?

প্রচণ্ড গরম আর বিরক্তিকর ঘামের সঙ্গে যন্ত্রণার অনুষঙ্গ হয়ে আসে ঘামাচি বা হিট র‍্যাশ। যাঁরা প্রচুর ঘামেন ও গরমে কাজ করেন, তাঁদের ঘামাচি হয় বেশি। শিশুদেরও ঘামাচি হওয়ার প্রবণতা বেশি। একে প্রিকলি হিট বা মিলিয়ারিয়াও বলে।

ঘামাচি দেখতে কেমন

ত্বকে লাল লাল দানার মতো করে ঘামাচি দেখা দেয়। কখনো এগুলো ব্লিস্টার বা ছোট ফোঁড়ার মতো হতে পারে। এগুলো প্রচণ্ড চুলকায়। মাঝেমধ্যে গোটা ত্বক লালচে হয়ে পড়ে।

কোথায় বেশি হয়

যেসব জায়গা বেশি ঘামে, যেমন বগল, হাঁটু বা কনুইয়ের ভাঁজে ঘামাচি বেশি হয়। এ ছাড়া পিঠেও বেশি হতে দেখা যায়। শিশুদের ডায়াপার পরার স্থানে, মুখে এবং মাথায়ও ঘামাচি হয়।

কেন হয় ঘামাচি

ত্বকের লোমকূপে যে ঘর্মগ্রন্থি থাকে, গরম ও ঘামের কারণে তার মুখ বন্ধ হয়ে গেলে সে জায়গা লাল হয়ে ফুলে ওঠে। এটাই ঘামাচি। নবজাতক ও ছোট শিশুদের ঘর্মগ্রন্থি পুরোপুরি তৈরি নয় বলে তাদের এই সমস্যা হয় বেশি।

কী করবেন

শরীর ও ত্বক শীতল রাখতে পারলে ঘামাচি এমনিতেই সেরে যায়। সারতে তিন সপ্তাহের মতো লাগতে পারে। পানি দিয়ে গোসল করলে একটা স্বস্তিকর অনুভূতি হয়, তবে বারবার গোসল করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়তে পারে। নখ দিয়ে আঁচড়ালে বা চুলকালে সংক্রমণ হতে পারে। তীব্রতা বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে লোশিও ক্যালামাইন বা প্রয়োজনে স্টেরয়েড ক্রিম ব্যবহার করা যায়।

ঘামাচি থেকে বাঁচতে আপনি কী করতে পারেন

যেখানে বসবাস করেন বা কাজ করেন, সেখানে মুক্ত বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন। পাতলা ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরুন, যার মধ্য দিয়ে বাতাস চলাচল করতে পারবে। খুব ঘেমে গেলে পোশাক পরিবর্তন করুন। শিশুদের ডায়াপার ভিজে গেলেই ঘন ঘন পরিবর্তন করবেন। ত্বকের ভাঁজগুলো কাপড় চেপে শুষ্ক করে নেবেন। শিশুদের পরিষ্কার পাতলা সুতির কাপড় পরাবেন বা দরকার হলে খালি গায়ে ফ্যানের নিচে রাখুন। সিনথেটিক কাপড় পরাবেন না। তাদের শোয়ানোর সময় প্লাস্টিকের মেট্রেস ব্যবহার করবেন না।

সকল ব্লগ পোস্ট সমূহ -

গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করে নিজের ক্ষতি করছেন না তো?

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করে নিজের ক্ষতি করছেন না তো?

গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি পান করে নিজের ক্ষতি করছেন না তো?

গরমে এখন হাঁসফাস করছে দেশবাসী। এ সময় পানির পিপাসায় অনেকেই অস্থির হয়ে পড়ছেন। একে তাপমাত্রা সহন ক্ষমতার উপরে, তার উপর আবার বাতাসে অত্যধিক আর্দ্রতাও কষ্ট বাড়াচ্ছে।

এই দুইয়ের আক্রমণে নাজেহাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। ঘরের বাইরে পা দিলেই ঘেমে-নেয়ে একাকার অবস্থা। ঠান্ডা পানি পান করা ছাড়া যেন কোনো বিকল্প নেই। অনেকেই বাইরে থেকে ঘরে ঢুকেই ফ্রিজ থেকে বরফজমা ঠান্ডা পানি খাওয়া শুরু করেন তবে গ্রীষ্মের গরমে যতটা সম্ভব ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা

টনসিল–ঠান্ডা–কাশি–জ্বর

গরমের মধ্যে বাইরে থেকে ফিরেই সরাসরি ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি খেলে গলা খুসখুস থেকে শুরু করে ঠান্ডা লাগা পর্যন্ত অনেক আশঙ্কাই আছে। শরীরের তাপমাত্রা সাধারণভাবে ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি পান করার কারণে দেহের কিছু অংশের তাপমাত্রা হুট করে কমে যায়। বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে শরীর।

ফলে নিয়মিত এ রকম ঠান্ডা পানি খাওয়ার ফলে মিউকাস বা শ্লেষ্মা বেড়ে টনসিলের সমস্যা, মাইগ্রেনের সমস্যা, দাঁতে ব্যথা, খাদ্যনালির সমস্যা, সর্দি, কাশি বা জ্বরের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তৈরি হওয়া মিউকাস বা শ্লেষ্মা শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা তৈরি করে। তখন নানা প্রদাহযুক্ত সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। আমাদের গলায় শ্বাসনালির ওপরের অংশে কিছু ‘সুবিধাবাদী জীবাণু’ বাস করে। সুবিধাজনক অবস্থা পেলেই এরা আক্রমণ করে। যখন চারপাশে গরম, তখন হঠাৎ করে ঠান্ডা পানি গলায় গেলে গলার তাপমাত্রা অনেক কমে যায়। ঠান্ডা পানিতে এই জীবাণুগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে।

মাসল টেনশন

ঠান্ডা পানি গলার যেদিক দিয়ে যায়, ‘মাসল টেনশন’–এর ফলে সেখানকার রক্তনালিকে সংকুচিত করে। ফলে কিছু সময়ের জন্য স্বাভাবিক রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। যদি গলায় বা ওই সব জায়গায় কোনো ধরনের সংক্রমণ হয়ে থাকে, সেটা সেরে ওঠার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। আর আপনার আগে থেকেই ঠান্ডা লেগে থাকলে তো কথাই নেই! নাক বন্ধ হতে সময় লাগবে না। পাকস্থলীর আশপাশের রক্তনালি ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে এসে সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে হজমপ্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

হৃৎস্পন্দন ‘ড্রপ’ করতে পারে

ঠান্ডা পানি সাময়িক সময়ের জন্য স্বাভাবিক হৃৎস্পন্দনে বাধা দেয়। দশম ক্র্যানিয়াল নার্ভ বা ভেগাস নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। ফলে হৃৎস্পন্দনের পতন ঘটে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। যাঁদের সাইনাস বা মাইগ্রেনের সমস্যা আছে, তাদের ঠান্ডা পানি খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

হজমে বাধা

হজমের সময় যে পুষ্টি শোষিত হয়, সেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বাধা দেয় ঠান্ডা পানি। শরীর তখন হজমপ্রক্রিয়ার চেয়ে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শরীরে বেশি পানিশূন্যতা দেখা যায়।

চর্বিজাতীয় পদার্থ জমে যাওয়া

শরীরের চর্বিজাতীয় পদার্থ ঠান্ডা পানির সংস্পর্শে এসে জমে যায়। ফলে সেগুলো শোষণ করা বা পুড়িয়ে ফেলা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমনিতেই চর্বিজাতীয় পদার্থ হজম করতে শরীরে সবচেয়ে বেশি তাপ উৎপন্ন হয়। তাই কিছু ক্ষেত্রে ঠান্ডা পানি খাওয়ার ফলে শরীর তো ঠান্ডা হবেই না, আরও গরম হবে। আর ওজন কমানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

দাঁতের শিরশিরানি

ঠান্ডা পানি দাঁতের এনামেল অংশটাকে দুর্বল করে তোলে। তখন দাঁতে যেকোনো সংক্রমণের সুযোগ তৈরি হয়। আর ঠান্ডা পানি খাওয়ার ফলে দাঁতে শিরশিরেভাব হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

কারা একেবারেই খাবেন না ঠান্ডা পানি

যাঁদের ঠান্ডা–কাশি, দাঁতের সমস্যা, কোল্ড এলার্জি, হার্টের সমস্যা, মাথাব্যথা, সাইনাস আছে, সদ্য অপারেশন হয়েছে অথবা ওজন কমাতে চান— তাঁরা একেবারেই খাবেন না। এ ছাড়া খাওয়ার পরপরই ঠান্ডা পানি খাবেন না। একান্তই যদি খেতে হয়, খাওয়ার আধা ঘণ্টা পরে খান। অবশ্যই ঠান্ডা পানির সঙ্গে সমপরিমাণ বা বেশি স্বাভাবিক পানি মিশিয়ে খাবেন।


গরমের দিনেও সকালে নিয়ম করে কুসুম গরম পানি পান করা ভালো। এটা নিয়মিত করলে খুব সহজেই পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে। এমনকি হজমক্ষমতাও বেড়ে যাবে। গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যাও হবে না।

সকল ব্লগ পোস্ট সমূহ -