সোহেল এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন - কল করতে ক্লিক করুন এসি / নন এসি সার্ভিস মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস শহীদ শাহাবুদ্দিন সড়ক, ঢাকা ...

শরীফ এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন - কল করতে ক্লিক করুন এসি / নন এসি সার্ভিস মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস শহীদ শাহাবুদ্দিন সড়ক, ঢাকা ...

সরকারি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন - কল করতে ক্লিক করুন এসি / নন এসি সার্ভিস মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস শহীদ শাহাবুদ্দিন সড়ক, ঢাকা ...

ন্যাশনাল এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন - কল করতে ক্লিক করুন এসি / নন এসি সার্ভিস মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস শহীদ শাহাবুদ্দিন সড়ক, ঢাকা ...

মাহি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন - কল করতে ক্লিক করুন এসি / নন এসি সার্ভিস মাহিম অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস শহীদ শাহাবুদ্দিন সড়ক, ঢাকা ...

অ্যালার্জির হওয়ার কারণ ও প্রতিরোধ।

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

অ্যালার্জির হওয়ার কারণ ও প্রতিরোধ।

হাঁচি থেকে শুরু করে খাবার ও ওষুধের প্রতিক্রিয়াতে এই রোগ হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্য অসুবিধা করে। আবার কারও ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন। দেখা গেল হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ বা গরুর দুধ খেলেই শুরু হল শরীর চুলকানি আর চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা।

এলার্জি খুব কমন একটা সমস্যা। শিশুদের এলার্জি হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে লক্ষণগুলো কমে যেতে পারে। আবার অনেকের ছোটোবেলায় এলার্জির সমস্যা না থাকলেও, পরবর্তীতে নতুন করে এলার্জি দেখা দিতে পারে। কিছু বিধিনিষেধ মেনে চললে এলার্জি অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

অ্যালার্জি কী?

20240226_235817

আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস, এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়।

সাধারণত যেসব জিনিসের সংস্পর্শে আসলে শরীরে এলার্জি দেখা দেয় তার মধ্যে রয়েছে—

  • নির্দিষ্ট কিছু খাবার
  • ধুলাবালি
  • গরম অথবা ঠান্ডা আবহাওয়া
  • ঘাম
  • গৃহপালিত পশু-পাখি
  • পরাগ রেণু ও ফুলের রেণু
  • সূর্যরশ্মি
  • ডাস্ট মাইট
  • মোল্ড বা ছত্রাক
  • বিভিন্ন ঔষধ
  • কীটনাশক
  • ডিটার্জেন্ট ও বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ
  • ল্যাটেক্স বা বিশেষ ধরনের রাবারের তৈরি গ্লাভস ও কনডম
  • স্ট্রেস বা মানসিক চাপ

এলার্জি জাতীয় খাবারের তালিকাঃ

সচরাচর যেসব খাবারে এলার্জি হতে দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে—

  • চিংড়ি
  • বেগুন
  • ইলিশ মাছ
  • গরুর মাংস
  • বাদাম

এ ছাড়া শিশুদের ক্ষেত্রে ডিম ও দুধেও এলার্জি হতে পারে।

একেকজন মানুষের একেক ধরনের জিনিস অথবা খাবারে এলার্জি থাকতে পারে। তাই কোন ধরনের জিনিসের সংস্পর্শে আসলে অথবা খাবার খেলে এলার্জির লক্ষণ দেখা দিচ্ছে সেই বিষয়ে লক্ষ রাখা প্রয়োজন। এটি খুঁজে বের করতে পারলে এলার্জি নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়ে যায়।

এলার্জির লক্ষণসমূহ

20240226_222554

শরীর এলার্জিক উপাদানের সংস্পর্শে আসার পর খুব কম সময়ের মধ্যে এর প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এলার্জির লক্ষণগুলো হলো—

  • চামড়ায় চুলকানি, র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি হওয়া
  • শরীরের কিছু অংশ চাকা চাকা হয়ে যাওয়া বা ফুলে যাওয়া, ফোস্কা পড়া ও চামড়া ঝরে যাওয়া
  • ঠোঁট, জিহ্বা, চোখ ও মুখ ফুলে যাওয়া
  • চোখে চুলকানি, চোখ থেকে পানি পড়া, লাল হওয়া ও ফুলে যাওয়া
  • শুকনো কাশি, হাঁচি, নাকে ও গলায় চুলকানি ও নাক বন্ধ হওয়া
  • শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ চাপ লাগা ও শ্বাস নেওয়ার সময়ে শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া

বমি বমি ভাব, বমি, পেট ব্যথা, পেট কামড়ানো ও ডায়রিয়া

মারাত্মক এলার্জিক প্রতিক্রিয়া

এলার্জিক উপাদানের প্রতি তীব্র প্রতিক্রিয়া থেকে খুব অল্প কিছু ক্ষেত্রে অ্যানাফিল্যাক্সিস নামক একটি জরুরি অবস্থা তৈরি হতে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে রোগীর মৃত্যু হতে পারে। এমন রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে নিতে হবে। সময়মতো একটি ইনজেকশন দিলেই রোগীর জীবন বাঁচানো সম্ভব।

অ্যানাফিল্যাক্সিস হচ্ছে কি না যেভাবে বুঝবেন—

  • শ্বাসকষ্ট অথবা শ্বাস নেওয়ার সময়ে শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া
  • বুক-গলা আঁটসাঁট হয়ে আসছে বা আটকে আসছে বলে মনে হওয়া
  • মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা অথবা গলা ফুলে যাওয়া
  • ঠোঁট ও ত্বক নীল হয়ে যাওয়া
  • জ্ঞান হারানোর মতো অনুভূতি হওয়া অথবা পুরোপুরি অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
  • বিভ্রান্তি ও দুশ্চিন্তা
  • মাথা ঘুরানো অথবা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা
  • বুক ধড়ফড় করা কিংবা শরীর ঘামে ভিজে যাওয়া
  • চামড়ায় চুলকানিসহ লাল লাল ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ হওয়া অথবা চামড়া ফুলে ওঠা
  • শরীরের কিছু জায়গা থেকে চামড়া উঠে আসা কিংবা ফোস্কা পড়া

এলার্জি আছে এমন খাবার ও ঔষধ, ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহৃত কন্ট্রাস্ট বা ডাই অথবা পোকামাকড়ের কামড় থেকে অ্যানাফিল্যাক্সিস হতে পারে।

 

যখন ডাক্তারের কাছে যেতে হবে

নিচের তিনটি ক্ষেত্রে ডাক্তারের কাছে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ—

  • ঔষধ খাওয়ার পরেও লক্ষণ দূর না হলে
  • ডাক্তারের দেওয়া ঔষধ খাওয়ার পর নতুন লক্ষণ দেখা দিলে কিংবা সমস্যা আরও বেড়ে গেলে
  • মারাত্মক এলার্জিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে

 

এলার্জির চিকিৎসা

20240226_222416(1)

খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় কিছু বিধিনিষেধ মেনে চললে এলার্জি অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ওষুধ প্রয়োগ: অ্যালার্জি ভেদে ওষুধ প্রয়োগ করা যেতে পারে।

ঘরোয়া প্রতিকার ও জীবনযাত্রা

যেসব খাবার ও ঔষধে এলার্জি হয় সেগুলো এড়িয়ে চলবেন। হাঁপানি অথবা শ্বাসনালীর অন্য কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চলবেন। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ মোকাবেলায় শারীরিক ব্যায়াম, যোগব্যায়াম ও শ্বাসের ব্যায়াম করা যেতে পারে।

এলার্জি প্রতিরোধ

এলার্জি থেকে মুক্ত থাকার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো যেসব বস্তুতে এলার্জি রয়েছে সেগুলো এড়িয়ে চলা। এলার্জি প্রতিরোধে নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলুন—

  • এলার্জি ঘটায় এমন খাবারগুলো এড়িয়ে চলুন। 
  • গৃহপালিত পশু-পাখির বাসস্থান বাড়ির বাইরে তৈরি করুন এবং তাদের নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন।
  • ডাস্ট মাইট নামক এক প্রকার অতিক্ষুদ্র পোকা থেকে এলার্জি প্রতিরোধ করতে বাড়ির যে জায়গাগুলোতে বেশি সময় কাটানো হয় সেগুলো ধুলামুক্ত ও পরিষ্কার রাখুন। বিছানার চাদর, কাঁথা, বালিশ ও লেপের কভার, জানালার পর্দা—এগুলো সপ্তাহে অন্তত একবার গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। যেসব জিনিস নিয়মিত ধোয়া যায় না সেগুলো বাসায় যত কম ব্যবহার করা যায়, ততই ভালো। যেমন: কার্পেট।

এ ছাড়া বিছানা গোছানো ও ঝাড়া-মোছা করার সময়ে ভালো একটা মাস্ক পড়ুন। যেসব জিনিস ভেজা কাপড় দিয়ে মোছা যায় সেগুলো ভেজা কাপড় দিয়ে মুছুন। এতে ধুলা ছড়াবে না।



বন্ধু এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

বন্ধু এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স জন্য ফোন করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

মারিয়া এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

মারিয়া এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স জন্য ফোন করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

তুষার এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

তুষার এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স জন্য ফোন করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার সঠিক সময় ও নিয়ম

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার সঠিক সময় ও নিয়ম

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার সঠিক সময় ও নিয়ম

গর্ভবতী হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো পিরিয়ড মিস হওয়া। কিন্তু কোনো নারীর পিরিয়ড মিস হয়েছে মানেই যে সে গর্ভধারণ করেছে, এমনটা ধরে নেওয়া যাবে না। আরও অনেক কারণেই পিরিয়ড মিস হতে পারে।  এই অবস্থায় আপনি গর্ভধারণ করেছেন কি না সেটি জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। এসব পরীক্ষাকে ‘প্রেগন্যান্সি টেস্ট’ বলা হয়।

আপনি ডাক্তার অথবা স্বাস্থ্যকর্মীর কোনো রকম সাহায্য ছাড়া ঘরে বসেই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে পারবেন। যত তাড়াতাড়ি গর্ভধারণের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবেন, তত দ্রুত আপনার ও গর্ভের শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলা শুরু করতে পারবেন।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কতদিন পর করতে হয়?

মাসিকের সম্ভাব্য সময়ের মধ্যে মাসিক শুরু না হলে এবং সম্প্রতি আপনি জন্মনিরোধক পদ্ধতি (যেমন: কনডম, পিল বা বড়ি ও ইনজেকশন) ব্যবহার ছাড়া সহবাস করে থাকলে, প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে পারেন। মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিনই আপনি প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে গর্ভবতী কি না সেটি জেনে নিতে পারেন।

প্রেগন্যান্সি টেস্টে সাধারণত গর্ভবতী নারীদের প্রস্রাবে একটি হরমোনের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। গর্ভবতী নারীদের প্রস্রাবে এই হরমোনের পরিমাণ শুরুর দিকে অল্প পরিমাণে থাকে। তাই গর্ভধারণের একদম শুরুর দিকে অথবা সহবাসের পর পরই এই টেস্ট করলে সাধারণত হরমোনের উপস্থিতি সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব হয় না।

এজন্য সহবাসের পর কমপক্ষে ২১ দিন অথবা পরবর্তী মাসিকের সম্ভাব্য তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

বর্তমানে কিছু আধুনিক প্রেগন্যান্সি টেস্টের মাধ্যমে পিরিয়ডের সম্ভাব্য তারিখ আসার অনেক আগে, এমনকি গর্ভধারণের নয় দিনের মধ্যেই আপনি গর্ভধারণ করেছেন কি না সেটি নিশ্চিতভাবে জানা যায়।

কীভাবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করবেন?

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার অনেকগুলো উপায় আছে। এর মধ্যে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট বা কাঠি দিয়ে আপনি সবচেয়ে সহজ ও কম খরচে ঘরে বসেই টেস্ট করতে পারবেন।

সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড না হলে প্রথমেই প্রেগন্যান্সি কিটের সাহায্যে টেস্ট করা হয়ে থাকে। ফার্মেসিতে ৩০–১০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন কোম্পানির প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়।

এ ছাড়াও ডাক্তারের কাছে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ও আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি গর্ভবতী কি না সেই বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারবেন। পাশাপাশি গর্ভের সন্তানের হৃৎপিণ্ডের কার্যক্রমও হয়তো শনাক্ত করা যেতে পারে।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট কী?

কোন নারী গর্ভবতী হলে তা ঘরে বসেই পরীক্ষার মাধ্যমে জানা সম্ভব। যে কিটের মাধ্যমে এই পরীক্ষা করা হয় তার নাম প্রেগন্যান্সি কিট। এটি ওষুধের দোকানে কিনতে পাওয়া যায়।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট ব্যবহারের নিয়ম

প্রস্তুতকারকভেদে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটের ব্যবহারবিধি কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। কিটের প্যাকেটের ভেতরের নির্দেশিকায় কীভাবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হবে সেটি বিস্তারিতভাবে লেখা থাকে। নির্দেশিকা অনুসরণ করে আপনি সহজেই ঘরে বসে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে ফেলতে পারবেন।

সচরাচর যেসব প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট পাওয়া যায়, সেগুলোর প্যাকেটের ভেতরে একটি লম্বা কাঠি বা বক্স থাকে। তাতে একটি ‘S’ লেখা ঘর থাকে। এ ঘরে আপনাকে কয়েক ফোঁটা প্রস্রাব দিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। তারপর বক্সের ‘C’ ও ‘T’ লেখা অন্য দুইটি ঘরের দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

শুধু ‘C’ ঘরে একটি দাগ দেখা গেলে পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ, অর্থাৎ আপনি হয়তো গর্ভবতী না। আর ‘C’ ও ‘T’ দুইটি ঘরেই দাগ দেখা গেলে ফলাফল পজিটিভ, অর্থাৎ আপনি গর্ভবতী।

শুধুমাত্র সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই এ টেস্ট করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। আপনি দিনের যেকোনো সময়েই এই পরীক্ষাটি করতে পারেন। প্রয়োজনে একাধিকবার টেস্ট করতে পারেন।শুধুমাত্র সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরেই এ টেস্ট করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই। আপনি দিনের যেকোনো সময়েই এই পরীক্ষাটি করতে পারেন। প্রয়োজনে একাধিকবার টেস্ট করতে পারেন।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট কীভাবে কাজ করে?

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটের মাধ্যমে প্রস্রাবে ‘বেটা হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন’ নামের একটি বিশেষ হরমোনের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। গর্ভবতী নারীদের প্রস্রাবে এই হরমোনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। যা কিটের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়।

টেস্ট কিট দিয়ে প্রস্রাবে এই হরমোনের উপস্থিতি শনাক্ত করা গেলে সেই ফলাফলকে ‘পজিটিভ’ বলে। আর শনাক্ত করার মতো যথেষ্ট পরিমাণ হরমোন না পাওয়া গেলে তাকে ‘নেগেটিভ’ বলে। ফলাফল পজিটিভ আসলে তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নির্ভুল হয়ে থাকে। তাই ফলাফল পজিটিভ আসলে একজন গাইনী ডাক্তার অথবা হাসপাতালে গিয়ে গর্ভাবস্থায় করণীয় সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

জেনে রাখা ভালো

প্রেগন্যান্সি টেস্টের ফলাফল পজিটিভ হওয়ার পরেও আপনি চিকিৎসকের কাছে যেয়ে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে নেবেন। পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরও যেসব পরীক্ষা করা হয়—

  • আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়
  • ফিতা দিয়ে জরায়ুর আকার মাপা হয়
  • রক্ত পরীক্ষা করা হয়
  • ডপলার আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে আপনার গর্ভের শিশুর হার্টের কার্যকলাপ নির্ণয় করা হয়
 

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটের ফলাফল কতটা সঠিক?

সাধারণত সঠিক নিয়মে পরীক্ষা করলে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সঠিক তথ্য দেয়। তবে প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটের ফলাফল হিসাবের সময়ে নিচের বিষয়গুলো মাথায় রাখা জরুরি—

  • গর্ভধারণের ছয় দিন পর থেকেই শরীরে ‘বেটা হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন’ নামের বিশেষ হরমোন তৈরি হতে শুরু করে। তবে অনেক ক্ষেত্রে আট-দশ দিন সময়ও লাগতে পারে। গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে শরীরে এই হরমোনের পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। ধীরে ধীরে এই হরমোনের পরিমাণ বাড়তে থাকে। তাই অনেকক্ষেত্রেই গর্ভাবস্থার একেবারে শুরুর দিকে কিট দিয়ে পরীক্ষা করলে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও ফলাফল নেগেটিভ আসতে পারে।
  • অনেকেই অনিয়মিত মাসিকের সমস্যায় ভোগেন। ফলে তারা মাসিকের সম্ভাব্য তারিখ ঠিকমতো হিসাব করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ হরমোন তৈরি হওয়ার আগেই টেস্ট করে ফেলতে পারেন। এমন হলেও গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসতে পারে।
  • এ ছাড়াও প্যাকেটের নির্দেশনা ঠিকমতো না মেনে পরীক্ষা করলে গর্ভবতী হলেও ভুলবশত কিট টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসতে পারে।

তাই টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসার পরেও আপনার পিরিয়ড না হলে অথবা আপনার নিজেকে গর্ভবতী মনে হলে কয়েকদিন পর আবার প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে পারেন।

দ্বিতীয়বার টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসার পরেও যদি আপনার পিরিয়ড না হয় তাহলে দ্রুত কোনো গাইনী ডাক্তার অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা সদর হাসপাতালে যেতে হবে। সেখানে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আপনি গর্ভবতী কি না সেই বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করার সঠিক সময় ও নিয়ম যত তাড়াতাড়ি গর্ভধারণের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারবেন, তত দ্রুত আপনার ও গর্ভের শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলা শুরু করতে পারবেন।

মিলনের কত দিন পর প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হয়?

সহবাসের কমপক্ষে ২১ দিন পরে আপনি প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে পারেন। প্রেগন্যান্সি টেস্টে সাধারণত গর্ভবতী নারীদের প্রস্রাবে একটি হরমোনের উপস্থিতি নির্ণয় করা হয়। গর্ভবতী নারীদের প্রস্রাবে এই হরমোনের পরিমাণ শুরুর দিকে অল্প পরিমাণে থাকে। তাই গর্ভধারণের একদম শুরুর দিকে অথবা সহবাসের পর পরই এই টেস্ট করলে সাধারণত সেই হরমোনের উপস্থিতি নির্ণয় করা সম্ভব হয় না। এজন্য সহবাসের পর কমপক্ষে ২১ দিন অথবা পরবর্তী মাসিকের সম্ভাব্য তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

লবণ দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট কীভাবে করে?

লবণ দিয়ে প্রেগন্যান্সি টেস্ট করা যায়—এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি যে, লবণ অথবা টুথপেস্ট গর্ভবতী নারীর প্রস্রাবের ‘বেটা হিউম্যান কোরিওনিক গোনাডোট্রপিন’ হরমোনের উপস্থিতি নির্ণয় করতে পারে। 

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটের দাম খুব বেশি না। যেকোনো ঔষধের দোকানেই আপনি টেস্ট কিট খুঁজে পাবেন। তাই আপনি গর্ভবতী কি না তা জানতে লবণ দিয়ে অথবা অন্য কোনো অবৈজ্ঞানিক উপায়ে গর্ভধারণের পরীক্ষা না করে, প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট কিনে পরীক্ষা করুন।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট কি শুধু সকালবেলায় করা যায়?   

প্রেগন্যান্সি টেস্ট শুধু সকালবেলায় করতে হয়—এটি সঠিক নয়। আপনি দিনের যেকোনো সময়েই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে পারেন। তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রস্রাব করার সময়েই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করে ফেলা ভালো। কারণ এই সময়ে প্রস্রাবে হরমোনের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি থাকে। ফলে আপনি গর্ভবতী হয়ে থাকলে সঠিক ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সারাদিনের যেকোনো সময়েই এই টেস্ট সঠিক ফলাফল দিয়ে থাকে।

মাসিক মিস হওয়ার কত দিন পর প্রেগন্যান্ট বোঝা যায়?

মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিনই আপনি প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে পারেন। সাধারণত মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিনেই আপনি গর্ভবতী কি না তা জানা যায়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার প্রস্রাবে হরমোনের পরিমাণ কম থাকতে পারে। এমনটা হলে আপনি গর্ভবতী হলেও টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসতে পারে। তাই মাসিক মিস হওয়ার প্রথম দিন টেস্ট করার পর ফলাফল নেগেটিভ আসলে আপনি কয়েকদিন পর আবার টেস্ট করতে পারেন।

20240226_220128

শেষ কথা?

কিট দিয়ে রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। তিনি কিছুদিন পর রক্তের কিছু সাধারণ পরীক্ষা আর আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে পরামর্শ দেবেন। সন্দেহ হলে ল্যাবরেটরিতে গিয়ে আবার প্রস্রাব পরীক্ষা করে নিতে পারেন।

সকল ব্লগ পোস্ট সমূহ -