অস্টিওপরোসিস কী? হাড় ক্ষয় কেন হয়, সেরে ওঠার উপায় কী?

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

অস্টিওপরোসিস কী? হাড় ক্ষয় কেন হয়, সেরে ওঠার উপায় কী?

অস্টিওপোরোসিস বা অস্টিওপোরেসিস (ইংরেজি: Osteoporosis) হল ক্যালসিয়াম এর অভাব জনিত একটা রোগ।
এটি হাড়ের এমন এক ধরণের ক্ষয় রোগ যা আপনার হাড়কে ভীষণ দুর্বল করে ফেলে, যার কারণে সামান্য আঘাতেই ভেঙ্গে যায় বা ফেটে যায়। বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির মতে, দেশটির মোট জনসংখ্যার অন্তত তিন শতাংশ অস্টিওপরোসিসে আক্রান্ত এবং পুরুষের তুলনায় নারীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি ।

চিকিৎসকরা বলছেন এই রোগে আক্রান্তদের অনেকেই তাদের রোগ সম্পর্কে জানেন না এবং আক্রান্তদের সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না হলে এমনকি ছয় মাসেই মৃত্যু ঘটতে পারে।

সোসাইটির গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী যদিও তাদের অনেকের জানাই নেই যে তারা হাড় ক্ষয় রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের অধ্যাপক একেএম সালেক বলছেন ৫০ বছর বয়সী যারা এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের প্রতি দশজনের নয়জনই নারী। তবে ৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা কিছুটা বেড়ে সাধারণত এ অনুপাত হয় ৬:৪ বা ৭:৩।

চিকিৎসকরা বলছেন তাদের ধারণা আগামী পাঁচ বছরে নন-কমিউনিকেবল যেসব রোগে মানুষ বেশি আক্রান্ত হয় তার মধ্যে শীর্ষ পাঁচে এই হাড় ক্ষয় রোগ উঠে আসবে।

“হার্ট, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও ফুসফুসের সমস্যার পর হাড় ক্ষয় রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি হবে বলে আমরা ধারণা করছি,” বলছিলেন মিস্টার সালেক।

হাড় ক্ষয় কেন হয়?

Osteoporosis in human bone illustration

কারও যদি ধূমপান, অতিরিক্ত মদপান ও মাদক সেবনের মতো অভ্যাস থাকে, সেটিও অস্টিওপরোসিসের ঝুঁকি বাড়ানোর কারণ। আবার ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে, হাইপার থাইরয়েডিজম বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা থাকলে, ডায়াবেটিস, ক্যান্সারের মতো জটিল রোগের কারণে যেকোনো বয়সীদের অস্টিওপরোসিস হতে পারে।

অস্টিও অর্থ হাড় এবং পরোসিস অর্থ পোরস বা ছিদ্র। সে হিসেবে অস্টিওপরোসিস বলতে বোঝায় যখন হাড়ে বেশি পরিমাণে ছিদ্র থাকে।

হাড়ে বেশি ছিদ্র থাকা মানে বোন ডেনসিটি বা হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে সহজেই হাড় ভেঙ্গে যাওয়া বা ফ্র্যাকচার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। হাড় দুর্বল হওয়ার এই স্বাস্থ্যগত অবস্থাই অস্টিওপরোসিস।

হাড়ের দু’টি অংশ থাকে। ওপরের শক্ত আবরণটিকে বলা হয় কমপ্যাক্ট বোন। ভেতরে স্পঞ্জের মতো ছিদ্র ছিদ্র করা স্তরটিকে বলা হয় স্পঞ্জি বোন বা ট্রেবাকুলার বোন।

অস্টিওপরোসিস হলে হাড়ের ওপরের আবরণ বা কম্প্যাক্ট বোন অনেক পাতলা হয়ে যায় এবং স্পঞ্জি অংশটির ছিদ্র বেড়ে যায় বা ঘনত্ব কমে যায়, যা হাড়কে দুর্বল করে ফেলে।

হাড় সাধারণত একদিকে ক্ষয় হতে থাকে আরেকটি গঠন হতে থাকে। যদি ক্ষয় হওয়ার গতি, নতুন হাড় গঠন হওয়ার গতির চাইতে কমে যায়, তখনই অস্টিওপরোসিস হয়।

কম্প্যাক্ট বোনের গঠন প্রতি ১০ বছর অন্তর আর স্পঞ্জি বোন প্রতি তিন বা চার বছর পর পর বদলায়।

মূলত বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় দুর্বল হতে থাকে যা বার্ধক্যের একটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে কিছু মানুষের এই হাড় ক্ষয়ের প্রবণতা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি।

ব্রিটেনের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের তথ্যমতে, মানুষের হাড় সবচেয়ে বেশি মজবুত অবস্থায় থাকে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের মধ্যে। এরপর থেকে হাড় দুর্বল হতে শুরু করে।

 

উপসর্গ :

20240225_125936

আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে আপনার অস্টিওপরোসিস আছে কিনা সেটা আগে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাড় ভাঙলে বা ফ্র্যাকচার হলেই কেবল বিষয়টি সামনে আসে।

প্রাথমিক অবস্থায় এই রোগের কোনো লক্ষণ থাকে না কিন্তু পরিস্থিতি যখন জটিল রূপ নেয় তখন রোগীর-

ঘাড়ে, কোমরে, মেরুদণ্ডে প্রতিনিয়ত ব্যথা হয়
পেশী ব্যথা করে বা পেশী দুর্বল লাগে
বয়স্কদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমে যায় বা কুঁজো হয়ে যায়, কারণ হাড় ক্ষয় হওয়ার কারণে মেরুদণ্ড শরীরের ভার নিতে পারে না, এজন্য মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে শরীর ঝুঁকে আসে, অনেক সময় হাড় ভেঙে যায়
পাঁজরের হাড় নীচের দিকে ঝুলে পড়ে
হাড় না ভাঙ্গা পর্যন্ত অস্টিওপরোসিস সাধারণত কষ্টকর হয় না, তবে মেরুদণ্ডের হাড় একবার ভাঙলে সেটা দীর্ঘদিন ধরে ভুগতে হয়।

পরীক্ষা:

অস্টিওপরোসিস পরীক্ষা করা হয় ডুয়েল এনার্জি এক্স রে অ্যাবজরপ-শিওমেট্রি বা সংক্ষেপে ডেক্সা স্ক্যানের মাধ্যমে।

এখানে রোগীকে শুইয়ে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ স্ক্যান করা হয় যা সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত পদ্ধতি। এটা করতে ১০ থেকে ২০ মিনিট সময় লাগে, এক্ষেত্রে শরীরের যে অংশটি স্ক্যান করা হচ্ছে তার উপর সময় নির্ভর করে।

একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক তরুণের হাড়ের সাথে তুলনা করে রোগীর হাড়ের ঘনত্ব পরিমাপ করা হয়। এই গণনা করা হয় টি স্কোর দিয়ে।

পরীক্ষায় রোগীর টি স্কোর যদি মাইনাস দুই দশমিক পাঁচ বা তার কম আসে, তাহলে বুঝতে হবে তার অস্টিওপরোসিস আছে।

এছাড়া পরীক্ষায় রোগীর হাড়ের পরিস্থিতি কয়েকটি গ্রেডে ভাগ করা হয়। রোগীর হাড়ের অবস্থা কোন গ্রেডে আছে, রোগীর বয়স, লিঙ্গ, ভবিষ্যতে হাড় ভাঙার ঝুঁকি কতোটা আছে, আগে হাড় ভেঙেছিল কিনা সেটার ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়ে থাকে।

আপনার যদি অস্টিওপেনিয়া অর্থাৎ প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়ে তাহলে আপনার হাড় সুস্থ রাখতে এবং অস্টিওপরোসিস হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন।

যদি অস্টিওপরোসিস ধরা পড়েই যায় তাহলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নেয়ার পাশাপাশি চলাফেরায় সাবধান হতে হবে এবং নিয়মিত চোখের দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করাতে হবে।

প্রতিরোধ:

অস্টিওপরোসিস প্রতিকারের চাইতে প্রতিরোধের ওপর বেশি জোর দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই রোগের ঝুঁকি যেহেতু বয়সের সাথে বাড়ে তাই আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। আমরা বয়স্কদের শুয়ে বসে থাকতে বলি। কিন্তু বয়সের সাথে সাথে শারীরিক পরিশ্রম করা বেশ জরুরি।

যারা নিয়মিত কায়িক শ্রম করেন বা শরীরচর্চা করেন তাদেরও হাড়ের গঠন মজবুত হয়, হাড় ক্ষয়ের গতি কমে যায় এবং হাড় গঠনের গতি বেড়ে যায়।

রক্তের ক্যালসিয়াম, ফসফেট সেইসাথে অ্যাস্ট্রোজেন, টেস্টোটেরন ও গ্রোথ হরমোন হাড়ের গঠনে সাহায্য করে।

তাই ক্যালসিয়াম, ভিটামিন, প্রোটিন, ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টি অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার খেলে সেইসাথে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট খেলে, অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। প্রতিদিন অন্তত ১০ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতেই হবে।

সেইসাথে ধূমপান ও মদপানের অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করতে হবে।

চিকিৎসা:

pexels-mart-production-7089289

হাড় মজবুত করার ওষুধ দিয়ে অস্টিওপরোসিসের চিকিৎসা করা যায়।

প্রতিনিয়ত আমাদের যে হাড় গঠন হচ্ছে সেটা কেমন মজবুত হবে, সেটা নির্ভর করবে শরীরের সেরাম ক্যালসিয়াম লেভেলের ওপর।

মানবদেহের প্যারাথাইরয়েড হরমোন ও ক্যালসাটোনিন হরমোন আর ভিটামিন ডি এই সেরাম ক্যালসিয়াম লেভেলকে প্রভাবিত করে।

চিকিৎসকরা সাধারণত রোগীর পরিস্থিতি বুঝে, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট, ন্যাসাল স্প্রে, সাপ্তাহিক বা মাসিক ট্যাবলেট, বছরে একবার হরমোনাল ইনজেকশন, হরমোনাল ওষুধ, ইত্যাদি প্রেস্ক্রাইব করে থাকেন।

মেনোপজের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এমন নারীদের ওষুধ বা ইনজেকশনের মাধ্যমে অ্যাস্ট্রোজেনের মাত্রা বাড়ানো হয় যা হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।

তবে এসব ওষুধের বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। সে বিষয়ে চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নেয়া দরকার।

এস.কে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

এস.কে এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স জন্য ফোন করুন -

সমগ্য বাংলাদেশ ব্যাপী রোগীদের সেবায় ২৪/৭ ঘন্টা নিয়োজিত।আপনার সংকটময় মূহুর্তে হ্যালো ডাক্তার জোন আছে আপনার অতি নিকটে।

প্রকৃতি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স সেবার জন্য যোগাযোগ করুন -

01713626559 01819951357

প্রকৃতি এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এ্যাম্বুলেন্স জন্য ফোন করুন -

ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা একজন সার্জারী বিশেষজ্ঞ তাকেই বলা হয়ে থাকেন, যিনি একজন রোগীর শল্য চিকিৎসাজনিত সকল সমাধানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ একজন ডাক্তার।
একজন সার্জারী বিশেষজ্ঞ তাকেই বলা হয়ে থাকেন, যিনি একজন রোগীর শল্য চিকিৎসাজনিত সকল সমাধানের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এবং দক্ষ একজন ডাক্তার।

সকল সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো –

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount)

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount)

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount) বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার অন্যতম বিশ্বস্ত নাম ইবনে সিনা ট্র ...

Period vs Pregnancy Early Pregnancy Signs PMS Symptoms Pregnancy Symptoms Bangla Women Health Tips

পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ: বিভ্রান্তি দূর করুন সহজেই

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন - +880 1949-605525 পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ: বিভ্রান্তি দূর করুন সহজেই অন ...

best-skin-and-dermatologist-doctor-list-in-dhaka

ঢাকার সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা।

ঢাকার সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ও রোগের নিরাময়ের জন্য সঠিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পর ...

ঢাকার সেরা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা।

ঢাকার সেরা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকাঃ আপনি যদি ঢাকায় সেরা গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনুসন্ধা ...

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ কত ?

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ কত ?

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ কত ? ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের সাথে মোকাবিলা করা মানসিক এবং আর্থিকভাবে উভয়ই অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের খরচ বোঝা পরিকল্পনা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা চাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই নিবন্ধে, আমরা ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের সাথে মোকাবিলা করা মানসিক এবং আর্থিকভাবে উভয়ই অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের খরচ বোঝা পরিকল্পনা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা চাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই নিবন্ধে, আমরা ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

খরচ প্রভাবিত করার কারণগুলি:

হাসপাতাল এবং সার্জনের দক্ষতা: হাসপাতালের সুনাম, সুবিধা এবং দক্ষতা এবং অপারেশন সম্পাদনকারী সার্জনের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিখ্যাত হাসপাতাল এবং অভিজ্ঞ নিউরোসার্জনদের উন্নত কৌশল এবং বিশেষ সরঞ্জামের কারণে উচ্চ ফি থাকতে পারে।

ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের পদ্ধতি: মস্তিষ্কের টিউমার নির্ণয়ের প্রক্রিয়ায় এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান এবং বায়োপসির মতো বিভিন্ন পরীক্ষা জড়িত। এই পদ্ধতির কারণে খরচ বেড়ে যায়।

টিউমারের ধরন এবং পর্যায়: ব্রেন টিউমারের ধরন এবং পর্যায় অপারেশনের জটিলতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আরও উন্নত বা জটিল ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, যার ফলে খরচ বেড়ে যায়।

হাসপাতালে থাকা এবং অপারেটিভ পরবর্তী যত্ন: হাসপাতালে থাকার সময়কাল এবং অপারেটিভ পরবর্তী যত্নের প্রয়োজনীয় স্তর সামগ্রিক খরচে অবদান রাখে। এর মধ্যে রয়েছে রুম, ওষুধ, নার্সিং কেয়ার এবং ফলো-আপ পরামর্শ সংক্রান্ত খরচ।

পুনর্বাসন এবং ফলো-আপ যত্ন: মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের প্রকৃতি এবং ব্যক্তির অবস্থার উপর নির্ভর করে, পুনর্বাসন এবং ফলো-আপ যত্ন প্রয়োজন হতে পারে। এই পরিষেবাগুলি, যেমন ফিজিওথেরাপি বা স্পিচ থেরাপি, সামগ্রিক খরচে অবদান রাখতে পারে।

ভ্রমণ এবং বাসস্থান: আপনি যদি ঢাকার বাইরে থাকেন, তাহলে আপনার নিজের এবং পরিবারের যে কোনো সদস্যের জন্য ভ্রমণ এবং বাসস্থানের খরচ বিবেচনা করতে হবে।

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ:

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ সাধারণত ১,০০,০০০ টাকা থেকে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যাইহোক, আপনার নির্দিষ্ট অবস্থা এবং চিকিত্সার প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে একটি সঠিক অনুমান পেতে একজন যোগ্যতাসম্পন্ন সার্জনের সাথে পরামর্শ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ-  আপনি যদি ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের কথা বিবেচনা করেন, তাহলে আরও বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ +880 1949-605525

সকল সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো –

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount)

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount)

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount) বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার অন্যতম বিশ্বস্ত নাম ইবনে সিনা ট্র ...

Period vs Pregnancy Early Pregnancy Signs PMS Symptoms Pregnancy Symptoms Bangla Women Health Tips

পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ: বিভ্রান্তি দূর করুন সহজেই

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন - +880 1949-605525 পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ: বিভ্রান্তি দূর করুন সহজেই অন ...

best-skin-and-dermatologist-doctor-list-in-dhaka

ঢাকার সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা।

ঢাকার সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ও রোগের নিরাময়ের জন্য সঠিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পর ...

ঢাকার সেরা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা।

ঢাকার সেরা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকাঃ আপনি যদি ঢাকায় সেরা গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনুসন্ধা ...

গর্ভপাত: প্রকার, লক্ষণ, কারণ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

গর্ভপাত: প্রকার, লক্ষণ, কারণ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা

গর্ভপাতের লক্ষণ ও কারণ মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. সেঁজুতি সীমান্ত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পরে শতকরা ১০ ভাগ ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার পরিণতি গর্ভপাত হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পূর্বেই গর্ভপাত হয়ে যায়। সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং আশেপাশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কেন্দ্রের চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক শিশুর বাইরের জগতে বেঁচে থাকার জন্য প্রস্তুত হতে সময় কিছুটা কম-বেশি লাগতে পারে। তাই গর্ভপাতের সময়সীমা একেক দেশে একেক রকম হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহ সম্পূর্ণ হওয়ার আগে গর্ভের সন্তান মারা গেলে তাকে গর্ভপাত বলে। অপরদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভে সন্তানের মৃত্যু ঘটলে তাকে মৃতপ্রসব বলা হয়।

মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. সেঁজুতি সীমান্ত

একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পরে শতকরা ১০ ভাগ ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার পরিণতি গর্ভপাত হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পূর্বেই গর্ভপাত হয়ে যায়। সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং আশেপাশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কেন্দ্রের চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক শিশুর বাইরের জগতে বেঁচে থাকার জন্য প্রস্তুত হতে সময় কিছুটা কম-বেশি লাগতে পারে। তাই গর্ভপাতের সময়সীমা একেক দেশে একেক রকম হয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহ সম্পূর্ণ হওয়ার আগে গর্ভের সন্তান মারা গেলে তাকে গর্ভপাত বলে। অপরদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভে সন্তানের মৃত্যু ঘটলে তাকে মৃতপ্রসব বলা হয়।

গর্ভপাতের লক্ষণ

গর্ভপাতের সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ হলো যোনিপথ বা মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্ত যাওয়া। এই রক্তপাতের মাত্রা কারও বেশি আবার কারও কম হয়। অন্তর্বাসে অথবা পায়জামায় রক্তের হালকা ছোপ ছোপ দাগ লাগা কিংবা বাদামী রঙের অল্প পরিমাণে রক্তপাত হওয়া থেকে শুরু করে টকটকে লাল রঙের এবং জমাট বাঁধা রক্তের দলাসহ ভারী রক্তপাত হতে পারে।

এই রক্তপাত কারও একটানা কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার কারও ক্ষেত্রে রক্তপাত কিছু সময় বন্ধ থেকে কয়েক দিন পরে পুনরায় শুরু হতে পারে।

যোনিপথে রক্তপাত ছাড়াও গর্ভপাত হলে অন্যান্য যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে সেগুলো হলো—

  • তলপেট মোচড়ানো অথবা ব্যথা হওয়া
  • যোনিপথ দিয়ে তরল নির্গত হওয়া
  • যোনিপথ দিয়ে মাংসের দলার মতো কিছু নির্গত হওয়া
  • গর্ভধারণের লক্ষণগুলো না থাকা। যেমন: বমি বমি ভাব ও স্তনে ব্যথা

দ্রষ্টব্য, গর্ভকালের প্রথম দিকে যোনিপথে রক্তপাত হলে তা সব ক্ষেত্রে গর্ভপাত নির্দেশ করে না। এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ করলে, মোলার প্রেগন্যান্সি, অর্থাৎ গর্ভধারণের পরিবর্তে গর্ভে থোকা থোকা মাংসের দলা সৃষ্টি হলে এবং ইমপ্ল্যানটেশন ব্লিডিং, অর্থাৎ ভ্রূণ জরায়ুর গায়ে বসার কারণেও মায়ের যোনিপথে রক্তপাত হতে পারে।

এসব ছাড়াও এই সময়ে অন্যান্য কোনো রোগের কারণেও রক্তপাত হতে পারে।  তাই এই সময়ে যোনিপথে রক্তপাত হলেই আতঙ্কিত না হয়ে নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তবে এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি একটি ভয়াবহ জটিল সমস্যা। কেননা এর ফলে হঠাৎ করে শরীরের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে রক্তপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি রোগী রক্তপাতের কারণে মৃত্যুবরণও করতে পারে। তাই এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্র যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে।

এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির লক্ষণ এবং লক্ষণ দেখা দিলে কী হতে পারে এসব জানতে এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি আর্টিকেলটি পড়ুন।

গর্ভপাতের কারণসমূহ

গর্ভপাত নানান কারণে হতে পারে। সাধারণত গর্ভের সন্তান অথবা মায়ের বিভিন্ন রোগ ও ত্রুটির কারণে গর্ভপাত ঘটে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গর্ভপাতের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে বের করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

প্রথম ত্রৈমাসিকে সাধারণত গর্ভের শিশুর কোনো ধরনের সমস্যার কারণে গর্ভপাত হয়ে থাকে। প্রথম ত্রৈমাসিকের পরের সময়গুলোতে মায়ের নানান রোগের কারণে গর্ভপাত হতে পারে।

এ ছাড়াও গর্ভের শিশুর চারপাশে কোনো ধরনের ইনফেকশন হলে ধীরে ধীরে পানি ভাঙতে শুরু হয়। এর ফলে কোনো ধরনের ব্যথা কিংবা রক্তপাত শুরু হওয়ার আগেই গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে।

আবার কখনো কখনো জরায়ুমুখ নির্দিষ্ট সময়ের বেশ আগে খুলতে শুরু করে। এ কারণেও গর্ভপাত হতে পারে।

গর্ভপাতের কারণগুলোকে ত্রৈমাসিক অনুযায়ী দুইটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন—

প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাতের কারণ

গর্ভাবস্থার ১৩তম সপ্তাহ পর্যন্ত যে সময়কাল তাকে প্রথম ত্রৈমাসিক বলে। এসময়ে গর্ভপাত হওয়ার কারণগুলো হলো—

১. ক্রোমোজোমের সমস্যা

আমাদের দেহের যেকোনো অংশের গঠন কেমন হবে তা নির্ভর করে ‘ডিএনএ’ এর ওপর। অর্থাৎ শিশুর চেহারা অথবা চুলের রঙ থেকে শুরু করে তার শরীরের ভেতরের নানান অঙ্গের গঠনও ‘ডিএনএ’ এর ওপর নির্ভরশীল। আর ক্রোমোজোম হলো একাধিক ‘ডিএনএ’ এর সমষ্টি।

প্রতিটি মানুষের দেহে মোট ২৩ জোড়া, অর্থাৎ ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২৩টি আসে মায়ের শরীর থেকে আর বাকী ২৩টি আসে বাবার শরীর থেকে।

কখনো কখনো গর্ভধারণের সময়ে মা-বাবার কাছ থেকে ২৩টির কম অথবা বেশি ক্রোমোজোম চলে আসতে পারে। এর ফলে গর্ভের শিশুর দেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা কম-বেশি হয়। ফলে সে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারবে না। এর পরিণতি স্বরূপ গর্ভপাত হতে পারে।

এ ধরনের ঘটনা কেন ঘটে সে সম্পর্কে এখনো সঠিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এমনকি এ ধরনের ঘটনার পেছনে গর্ভের শিশুর মা-বাবার কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যাও দায়ী নয়। যে কারও ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে স্বস্তির বিষয় এই যে, পরবর্তী কোনো গর্ভাবস্থায় এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা কম।

২. গর্ভফুলের সমস্যা

গর্ভফুল বা প্লাসেন্টার মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে গর্ভের শিশুর দেহে রক্ত সরবরাহ হয়। এই রক্তের মাধ্যমে সে গর্ভের ভেতরে বেড়ে ওঠার জন্য পুষ্টি উপাদান পায়। তাই গর্ভফুলে কোনো সমস্যা থাকলে শিশুর রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে।

৩. অন্যান্য কারণ

যে কারও যেকোনো সময় গর্ভপাত হতে পারে। তবুও কিছু বিষয় প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত হওয়ার হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। যেমন—

  • গর্ভবতী মায়ের বয়স বেশি হওয়া
  • গর্ভবতী মায়ের ওজন অতিরিক্ত হওয়া
  • অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত খাবার খাওয়া অথবা পানীয় পান করা। যেমন: চা ও কফি
  • ধূমপান করা অথবা ধূমপায়ীদের আশেপাশে থাকার কারণে সিগারেটের ধোঁয়া সেবন করা
  • মাদকদ্রব্য গ্রহণ করা
  • মদপান করা

দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে গর্ভপাতের কারণ

গর্ভাবস্থার ১৪তম সপ্তাহ থেকে ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালকে দ্বিতীয় ত্রৈ মাসিক বলে। এই সময়ে যেসব কারণে গর্ভপাত হতে পারে—

১. মায়ের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা

দীর্ঘ দিন মায়ের কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে এবং বিশেষ করে ঠিকমতো তার চিকিৎসা না নিলে অথবা তা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে, গর্ভপাতের আশঙ্কা বেড়ে যায়। যেসব রোগ থাকলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে সেগুলো হলো—

  • অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
  • অতিরিক্ত উচ্চ রক্তচাপ
  • সিস্টেমিক লুপাস ইরাইথামেটোসাস বা এসএলই
  • কিডনির রোগ
  • হাইপারথাইরয়েডিজম বা রক্তে থাইরয়েড হরমোন বেড়ে যাওয়া
  • হাইপোথাইরয়েডিজম বা রক্তে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া
  • অ্যান্টি ফসফোলিপিড সিনড্রোম

২. ইনফেকশন

গর্ভাবস্থায় মা কিছু ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে গর্ভপাতের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে। যেমন –

  • রুবেলা ভাইরাস
  • সাইটোমেগালো ভাইরাস
  • ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস। এক্ষেত্রে যোনিপথে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যায়
  • এইচআইভি
  • ক্ল্যামাইডিয়া
  • গনোরিয়া
  • সিফিলিস
  • ম্যালেরিয়া

৩. খাদ্যে বিষক্রিয়া

কিছু নির্দিষ্ট জীবাণু দ্বারা দূষিত খাবার খাওয়ার ফলে বিষক্রিয়া হলে গর্ভপাতের আশংকা বেড়ে যেতে পারে। যেমন—

  • অপাস্তুরিত দুধ অথবা দুগ্ধজাত খাবার থেকে লিসটেরিয়া ব্যাকটেরিয়ার বিষক্রিয়া
  • কাঁচা অথবা ভালোমতো সেদ্ধ না হওয়া মাংস থেকে টক্সোপ্লাসমার বিষক্রিয়া
  • কাঁচা অথবা আধা সিদ্ধ ডিম থেকে স্যালমনেলার বিষক্রিয়া

এজন্য দুধ ভালো ভাবে ফুটিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি ডিম, মাছ ও মাংস ভালো মতো রান্না করে খান। সুশি জাতীয় কাঁচা অথবা ভালোমতো সেদ্ধ না করা খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪. ঔষধপত্র

কিছু ঔষধ সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ হলেও সেসব গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় এসব সেবন করলে তা গর্ভের সন্তানের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে। এমনকি গর্ভপাতও ঘটাতে পারে।

গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায় এমন কিছু ঔষধ হলো—

  • মিসোপ্রস্টল
  • রেটিনয়েড
  • মেথোট্রেক্সেট 
  • বিভিন্ন ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক ঔষধ

সবচেয়ে ভালো হয় যদি গর্ভাবস্থায় যেকোনো ঔষধ নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া হয়। ‘ওভার দ্যা কাউন্টার’, অর্থাৎ প্রেসক্রিপশন ছাড়া ক্রয় করা যায় এমন ঔষধগুলো নিরাপদ কি না সেটিও ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিলে ভালো হয়। ঔষধের নির্দেশিকা পড়ে নিলেও এক্ষেত্রে আপনি কিছু তথ্য জানতে পারেন।

৪. জরায়ুর গঠন

মায়ের গর্ভ, অর্থাৎ জরায়ুর গঠনে কিছু সমস্যা হলে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত ঘটতে পারে। যেমন: গর্ভাবস্থায় জরায়ুতে টিউমার বা ফাইব্রয়েড হলে এবং জরায়ুর আকৃতি অস্বাভাবিক হলে।

৫. দুর্বল জরায়ুমুখ

কিছু কিছু ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের পেশিগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পূর্বে কখনো জরায়ুমুখে কোনো আঘাত পেয়ে থাকলে বিশেষত কোনো অপারেশন হওয়ার কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হলে এমন সমস্যা হতে পারে।

পেশির দুর্বলতার কারণে জরায়ুমুখ গর্ভকাল শেষ হওয়ার আগেই প্রসারিত হয়ে যেতে পারে। ফলে গর্ভপাত ঘটতে পারে।

৬. পিসিওএস

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস এটি একটি হরমোনজনিত সমস্যা, যার ফলে ওভারি বা ডিম্বাশয় স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে যায়। ফলে ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম বাধাগ্রস্ত হয়। এই রোগে একজন নারীর শরীরে বিভিন্ন রকমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। কিছু গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে যে, পিসিওএস আক্রান্ত নারীর গর্ভপাত হওয়ার আশংকা বেশি

ঢাকার গাইনিকোলজিষ্ট বা গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো –

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেসমিন জেরিন ASSISTANT PROFESSOR DR. JESMIN JERIN এমবিবিএস,এফসিপিএস(গাইনি ও অবস্‌)। সহকারী অধ্যাপক (ল্যাপারোস্কপিক সার্জন) - বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা। প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ, ঢাকা।

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেসমিন জেরিন

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন - +8801301-971282 সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেসমিন জেরিন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব ব ...

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount)

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount)

ইবনে সিনা টেস্ট প্রাইস লিস্ট ২০২৬ (Ibn Sina Test Price List with 25% Discount) বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য এবং উন্নত চিকিৎসাসেবার অন্যতম বিশ্বস্ত নাম ইবনে সিনা ট্র ...

Period vs Pregnancy Early Pregnancy Signs PMS Symptoms Pregnancy Symptoms Bangla Women Health Tips

পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ: বিভ্রান্তি দূর করুন সহজেই

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন - +880 1949-605525 পিরিয়ডের লক্ষণ বনাম গর্ভাবস্থার লক্ষণ: বিভ্রান্তি দূর করুন সহজেই অন ...

best-skin-and-dermatologist-doctor-list-in-dhaka

ঢাকার সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা।

ঢাকার সেরা চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা। ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ও রোগের নিরাময়ের জন্য সঠিক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পর ...

ঢাকার সেরা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা।

ঢাকার সেরা প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকাঃ আপনি যদি ঢাকায় সেরা গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার অনুসন্ধা ...

পুষ্টিবিদ ছাইদা লিয়াকত

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

পুষ্টিবিদ ছাইদা লিয়াকত বিসিএস (সম্মান), এমএসসি (খাদ্য ও পুষ্টি)। পুষ্টিবিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এএনডি। নিউট্রিশনিষ্ট- জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা। খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ

পুষ্টিবিদ ছাইদা লিয়াকত

খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ

বিসিএস (সম্মান), এমএসসি (খাদ্য ও পুষ্টি)। পুষ্টিবিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এএনডি।

নিউট্রিশনিষ্ট- জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ রিফাত নাসের আল রহমান

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ডাঃ রিফাত নাসের আল রহমান রেসিডেন্ট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ। মেডিসিন লিভার, অগ্নাশয় ও পেটের পীড়া রোগে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। মেডিসিন, পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ চিকিৎসক- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-২৫৫১৬ হেপাটোলজিস্ট-লিভার বিশেষজ্ঞ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ রিফাত নাসের আল রহমান 

হেপাটোলজিস্ট-লিভার বিশেষজ্ঞ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

রেসিডেন্ট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ। মেডিসিন লিভার, অগ্নাশয় ও পেটের পীড়া রোগে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।

মেডিসিন, পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ চিকিৎসক-

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-২৫৫১৬

 

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ নুসরাত জাহান পাপরী

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

পরামর্শক ড. নুসরাত জাহান (পাপ্রি) এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এফসিপিএস (শিশুরোগ) বিশেষত্ব: শিশু বিশেষজ্ঞ অভিজ্ঞতার সারাংশ: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ডাঃ নুসরাত জাহান পাপরী

নবজাতক, কিশোর ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এফসিপিএস (শিশুরোগ)
 
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।