ঢাকার সার্জারী বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ঢাকার সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা: যোগ্যতা, বিশেষত্ব ও চেম্বার

Published: August 12-2026

ঢাকার সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা: যোগ্যতা, বিশেষত্ব ও চেম্বার

ঢাকায় সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজছেন? পেটের ব্যথা, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, হার্নিয়া, পিত্তথলিতে পাথর, পাইলস, ফিস্টুলা, ব্রেস্টের সমস্যা, টিউমার কিংবা অন্য কোনো সার্জিক্যাল সমস্যার জন্য সঠিক চিকিৎসক নির্বাচন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একজন অভিজ্ঞ জেনারেল সার্জন রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ, ছোটখাটো প্রক্রিয়া অথবা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিতে পারেন। আবার নির্দিষ্ট রোগের ক্ষেত্রে ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন, কোলোরেক্টাল সার্জন, ব্রেস্ট সার্জন বা সার্জিক্যাল অনকোলজিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।

এই আর্টিকেলে ঢাকার সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা, তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্র, রোগ অনুযায়ী কোন ধরনের সার্জনের কাছে যাবেন এবং ডাক্তার বাছাই করার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরা হলো।

ঢাকার সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তালিকা

নিচের তালিকাটি বিভিন্ন চিকিৎসকের প্রকাশিত পেশাগত তথ্য ও বিশেষায়িত চিকিৎসা ক্ষেত্রের ভিত্তিতে তৈরি। ডাক্তার নির্বাচন করার আগে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা চেম্বার থেকে বর্তমান তথ্য যাচাই করা উচিত।

ডাঃ বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস (ঢাকা), এফসিপিএস (সার্জারী)। ব্রেস্ট, এন্ডোক্রাইন জেনারেল এন্ড ল্যাপারোস্কপিক সার্জন। সহযোগী অধ্যাপক- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

ডাঃ বিদ্যুৎ চন্দ্র দেবনাথ

জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ

 

এমবিবিএস (ঢাকা), এফসিপিএস (সার্জারী)। ব্রেস্ট, এন্ডোক্রাইন জেনারেল এন্ড ল্যাপারোস্কপিক সার্জন।

সহযোগী অধ্যাপক- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

পিত্তথলীর পাথর, এ্যাপেন্ডিক্স, হার্নিয়া, পাইলস, ফিস্টুলা, টিউমার, স্তন, পায়ুপথ ও ক্যান্সার সার্জারী বিশেষজ্ঞ।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি নম্বর #১ ও ৩, রোড – ২, ব্লক – বি, মিরপুর – ১০, ঢাকা

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

ডা. মো. সিরাজুস সালেহীন অনকোলোজিস্ট ও অর্থোপেডিক সার্জন এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমএস (অর্থো সার্জারি) পঙ্গু হাসপাতাল, ঢাকা ফেলোশিপ ইন অর্থো অনকোলোজি এন্ড আর্থোপ্লাস্টি (ইংল্যান্ড) সহকারী অধ্যাপক. অর্থোপেডিক সার্জারি এবং ইউনিট প্রধান, অর্থো অনকোলজি ইউনিট জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল অর্থোপেডিক আলোক হাসপাতাল .

ডা. মো. সিরাজুস সালেহীন

অনকোলোজিস্ট ও অর্থোপেডিক সার্জন

 

এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য)

এমএস (অর্থো সার্জারি) পঙ্গু হাসপাতাল, ঢাকা ফেলোশিপ ইন অর্থো অনকোলোজি এন্ড আর্থোপ্লাস্টি (ইংল্যান্ড)

সহকারী অধ্যাপক. অর্থোপেডিক সার্জারি এবং ইউনিট প্রধান, অর্থো অনকোলজি ইউনিট জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল অর্থোপেডিক

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি-১, সড়ক-৫, ব্লক-এ, সেকশন-৬, মিরপুর-ঢাকা

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

ডাঃ তনিমা আহমেদ তনু সার্জারি বিশেষজ্ঞ স্তন সার্জন, কোলোরেক্টাল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন, জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন

ডাঃ তনিমা আহমেদ তনু

সার্জারি বিশেষজ্ঞ

স্তন সার্জন, কোলোরেক্টাল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন, জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এফসিপিএস (সার্জারি)

রেজিস্ট্রার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

তিনি পিত্তথলির পাথর, হার্নিয়া, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পাইলস, ফিস্টুলা এবং কোলন বা মলদ্বারের বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা ও অপারেশন করে থাকেন।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি-১, সড়ক-৫, ব্লক-এ, সেকশন-৬, মিরপুর-ঢাকা

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

ডাঃ মো. আশরাফুর রহমান (তামীম) জেনারেল, ল্যাপোরোস্কোপিক এন্ড ক্যান্সার সার্জন এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), কনসালটেন্ট (সার্জারি) ক্যান্সার সার্জারি বিভাগ জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

ডাঃ মো. আশরাফুর রহমান (তামীম)

জেনারেল, ল্যাপোরোস্কোপিক এন্ড ক্যান্সার সার্জন

এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (সার্জারি), কনসালটেন্ট (সার্জারি)

ক্যান্সার সার্জারি বিভাগ
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি নম্বর #১ ও ৩, রোড – ২, ব্লক – বি, মিরপুর – ১০, ঢাকা

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

ডাঃ সাদিয়া রসুল/Dr. Sadia Rasul. ব্রেষ্ট সার্জন, পায়ু রাস্তা ও মলদ্বার বিশেষজ্ঞ সার্জন, জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ। এমবিবিএস (ঢাকা), এমএস (জেনারেল সার্জারি) সার্জারি বিশেষজ্ঞ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। ( পিজি হাসপাতাল) বিএমডিসি রেজিঃ ৭৪৫৬৪।

ডাঃ সাদিয়া রসুল

             জেনারেল, ল্যাপোরোস্কোপিক

এমবিবিএস (ঢাকা), এমএস (জেনারেল সার্জারি)

সার্জারি বিশেষজ্ঞ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। ( পিজি হাসপাতাল) বিএমডিসি রেজিঃ ৭৪৫৬৪।

ব্রেষ্ট সার্জন, পায়ু রাস্তা ও মলদ্বার বিশেষজ্ঞ সার্জন, জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ।

চেম্বারের ঠিকানা: রোড-১৩, বাড়ী-৩৩, রূপনগর আবাসিক এরিয়া, মেইন রোড, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

লে. কর্নেল ডা. কাজী সবরান উদ্দিন আহম্মদ পিবিজিএমএস এমবিবিএস, এফসিপিএস (জেনারেল সার্জারী) এমএসপিএস (সার্জারী) এফসিপিএস (কোলোরেক্টাল সার্জারী) এফএমএএস (ইন্ডিয়া), এফএসিএস (ইউএসএ) সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (CMH), ঢাকা।

লে. কর্নেল ডাঃ কাজী সবরান উদ্দিন আহম্মদ

জেনারেল, ল্যাপারোস্কপিক ও কোলোরেক্টাল সার্জন

পিবিজিএমএস এমবিবিএস, এফসিপিএস (জেনারেল সার্জারী)
এমএসপিএস (সার্জারী) এফসিপিএস (কোলোরেক্টাল সার্জারী)
এফএমএএস (ইন্ডিয়া), এফএসিএস (ইউএসএ)
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (CMH), ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি নম্বর #১ ও ৩, রোড – ২, ব্লক – বি, মিরপুর – ১০, ঢাকা

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

অধ্যাপক ডা. আফরোজা গণি

স্ত্রীরোগ, প্রসূতীবিদ্যা ও বন্ধ্যাত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন
এমবিবিএস, এমসিপিএস, ডিজিও,
এমএস (গাইনি এন্ড অবস্)
ডিএমইউ (আলট্রাসনোগ্রাফি), বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমপিএইচ
ফেলো অফ মিনিমাল অ্যাক্সেস (ল্যাপারোস্কপিক) সার্জারি, ভারত
ডিপ্লোমা ইন এসিস্টেড রিপ্রডাক্টিভ টেকনোলজি, ভারত
ডিপ্লোমা ইন অবস্টেটিক্স এন্ড গাইনিকোলজি আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ভারত
অধ্যাপক (সিসি), গাইনি এন্ড অবস্
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা

চেম্বারের ঠিকানা: বাড়ি নম্বর #১ ও ৩, রোড – ২, ব্লক – বি, মিরপুর – ১০, ঢাকা

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

ডা. ফারজানা ইসলাম বীথি প্রসূতি, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং গাইনি ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও সার্জন এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমএস (অবস্ এণ্ড গাইনি), এফসিপিএস (গাইনি অনকোলজি) আলট্রাসনোগ্রাম, ডায়াবেটিস (সিসিডি), কলপোস্কোপি ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী অনকোলজি) বিভাগ, জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

ডা: ফারজানা ইসলাম বীথি

    প্রসূতি, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং গাইনি ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ও সার্জন


এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমএস (অবস্ এণ্ড গাইনি), এফসিপিএস (গাইনি অনকোলজি)
আলট্রাসনোগ্রাম, ডায়াবেটিস (সিসিডি), কলপোস্কোপি ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত


সহকারী অধ্যাপক ( গাইনী অনকোলজি) 
জাতীয় ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

চেম্বারের ঠিকানা: রোড-১৩, বাড়ী-৩৩, রূপনগর আবাসিক এরিয়া, মেইন রোড, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

Dr. Ariful Islam MBBS (Dhaka), DLO (O) MRCS (on course) Otolaryngology and head-neck surgery, Combined Military Hospital (CMH), Dhaka, Registrar, Delta Medical College and Hospital Dhaka, Member of Dundee Institute of Head and Neck Education (DI HNE, UK)

ডাঃ আরিফুল ইসলাম

            কান, নাক ও গলার সার্জন

এমবিবিএস (ঢাকা), ডিএলও (ও) এমআরসিএস

(অবশ্যই) অটোলারিনোলজি এবং হেড-নেক সার্জারি, কম্বাইন্ড মিলিটারি হাসপাতাল (সিএমএইচ), ঢাকা,

রেজিস্ট্রার, ডেল্টা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঢাকা, ডান্ডি ইনস্টিটিউট অফ হেড অ্যান্ড নেক এডুকেশনের সদস্য (ডিআই) এইচএনই, ইউকে)

চেম্বারের ঠিকানা:রোড-১৩, বাড়ী-৩৩, রূপনগর আবাসিক এরিয়া, মেইন রোড, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

ডাক্তারের প্রোফাইল দেখতে ক্লিক করুন

কোন রোগের জন্য কোন সার্জারি বিশেষজ্ঞ?

সব সার্জন সব ধরনের অস্ত্রোপচারে সমানভাবে বিশেষায়িত নন। আপনার রোগ অনুযায়ী সঠিক ধরনের সার্জন নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ।

হার্নিয়ার জন্য

পেট বা কুঁচকির অংশে অস্বাভাবিক ফোলা, ব্যথা বা ভারী কিছু তুললে অস্বস্তি হলে হার্নিয়া থাকতে পারে। হার্নিয়ার চিকিৎসায় জেনারেল সার্জন বা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন প্রয়োজন হতে পারে।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের জন্য

ডান পাশের নিচের পেটে তীব্র ব্যথা, বমি বমি ভাব, জ্বর ইত্যাদি অ্যাপেন্ডিসাইটিসের লক্ষণ হতে পারে। সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রয়োজন হলে সার্জন অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

গলব্লাডারে পাথরের জন্য

পিত্তথলিতে পাথর বা গলস্টোনের ক্ষেত্রে অনেক সময় ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন দেখানো যেতে পারে।

পাইলস, ফিস্টুলা ও ফিশারের জন্য

মলদ্বারে ব্যথা, রক্তপাত, পুঁজ, ফোলা বা দীর্ঘদিনের অস্বস্তি থাকলে কোলোরেক্টাল সার্জন বা সংশ্লিষ্ট সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

ব্রেস্টের গাঁট বা অন্যান্য সমস্যা

ব্রেস্টে গাঁট, অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা অন্য কোনো সার্জিক্যাল সমস্যা দেখা দিলে প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্রেস্ট সার্জন বা সার্জিক্যাল অনকোলজিস্টের কাছে রেফার করা হতে পারে।

টিউমার বা ক্যান্সারের জন্য

টিউমার বা ক্যান্সারের ক্ষেত্রে রোগের ধরন ও অবস্থান অনুযায়ী সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট প্রয়োজন হতে পারে। এ ধরনের রোগে সার্জারি ছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।


ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি কী?

ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি হলো এমন একটি আধুনিক অস্ত্রোপচার পদ্ধতি যেখানে সাধারণত বড় কাটার পরিবর্তে ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে বিশেষ যন্ত্র ও ক্যামেরা ব্যবহার করে অপারেশন করা হয়।

কিছু নির্দিষ্ট অপারেশনে এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে তুলনামূলকভাবে ছোট ক্ষত, কম ব্যথা এবং দ্রুত দৈনন্দিন কাজে ফেরার সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিটি রোগীর জন্য ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি উপযুক্ত নয়। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন বিবেচনা করে সার্জন সিদ্ধান্ত নেন।

সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর আগে কী করবেন?

ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সময় আপনার আগের চিকিৎসার কাগজপত্র, রিপোর্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাম/CT/MRI রিপোর্ট এবং বর্তমানে যে ওষুধগুলো খাচ্ছেন তার তালিকা সঙ্গে রাখুন।

ডাক্তারের কাছে গিয়ে জানতে পারেন:

  • রোগটির সঠিক নাম কী?
  • অপারেশন প্রয়োজন কি না?
  • অপারেশন না করলে কী সমস্যা হতে পারে?
  • ল্যাপারোস্কোপিক নাকি ওপেন সার্জারি প্রয়োজন?
  • অপারেশনের সম্ভাব্য ঝুঁকি কী?
  • হাসপাতালে কতদিন থাকতে হতে পারে?
  • অপারেশনের পর কতদিন বিশ্রাম প্রয়োজন?
  • চিকিৎসার আনুমানিক খরচ কত হতে পারে?

ঢাকার সেরা সার্জারি ডাক্তার নির্বাচন করবেন কীভাবে?

অনলাইনে “ঢাকার সেরা সার্জন” লিখে পাওয়া প্রথম নামটিই বেছে নেওয়া উচিত নয়। চিকিৎসক নির্বাচন করার সময় নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করুন:

১. শিক্ষাগত যোগ্যতা: চিকিৎসকের MBBS এবং সার্জারির উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে কি না দেখুন।

২. বিশেষায়িত অভিজ্ঞতা: আপনার নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসা ও সার্জারিতে চিকিৎসকের অভিজ্ঞতা আছে কি না বিবেচনা করুন।

৩. হাসপাতাল সুবিধা: যে হাসপাতালে চিকিৎসা বা অপারেশন হবে সেখানে প্রয়োজনীয় ICU, অ্যানেসথেশিয়া, ল্যাব ও জরুরি চিকিৎসা সুবিধা আছে কি না দেখুন।

৪. দ্বিতীয় মতামত: বড় বা জটিল অপারেশনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অন্য একজন যোগ্য সার্জনের second opinion নিতে পারেন।

৫. বর্তমান তথ্য যাচাই: চিকিৎসকের চেম্বার, সিরিয়াল নম্বর, ভিজিটিং সময় এবং হাসপাতালের তথ্য আগে থেকে নিশ্চিত করুন।

কখন দ্রুত সার্জনের পরামর্শ নেবেন?

তীব্র পেটব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া, বারবার বমি, রক্তপাত, হঠাৎ কোনো স্থানে প্রচণ্ড ফোলা বা ব্যথা, উচ্চ জ্বরের সঙ্গে পেটের সমস্যা অথবা আঘাতজনিত গুরুতর সমস্যায় দেরি না করে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

জরুরি অবস্থায় অনলাইনে ডাক্তার খোঁজার পরিবর্তে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যাওয়াই নিরাপদ।

ঢাকার সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার — FAQ

ঢাকার সেরা সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে?

একজন নির্দিষ্ট ডাক্তারকে সবার জন্য “সেরা” বলা ঠিক নয়। রোগের ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন হার্নিয়ার জন্য জেনারেল/ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন এবং ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল অনকোলজিস্ট প্রয়োজন হতে পারে।

হার্নিয়ার জন্য কোন ডাক্তার দেখাব?

হার্নিয়ার জন্য সাধারণত একজন জেনারেল সার্জন বা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন দেখানো যায়। রোগীর অবস্থা দেখে সার্জন চিকিৎসার পদ্ধতি নির্ধারণ করবেন।

গলব্লাডারে পাথর হলে কোন ডাক্তার দেখাব?

গলস্টোন বা পিত্তথলির পাথরের জন্য জেনারেল সার্জন বা ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

পাইলসের জন্য সার্জারি বিশেষজ্ঞ দেখানো প্রয়োজন কি?

পাইলসের সব রোগীর অপারেশন প্রয়োজন হয় না। রোগের মাত্রা ও উপসর্গের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। প্রয়োজন হলে জেনারেল বা কোলোরেক্টাল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি কি সবার জন্য করা যায়?

না। রোগের ধরন, রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা, আগের অপারেশনের ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে সার্জন সিদ্ধান্ত নেন।

উপসংহার

ঢাকায় অভিজ্ঞ সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজে পাওয়ার জন্য শুধু জনপ্রিয়তা নয়, চিকিৎসকের যোগ্যতা, আপনার নির্দিষ্ট রোগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা সুবিধা বিবেচনা করা জরুরি।

হার্নিয়া, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, গলস্টোন, পাইলস, ফিস্টুলা, ব্রেস্টের সমস্যা, টিউমার কিংবা অন্য কোনো সার্জিক্যাল রোগ থাকলে প্রথমে একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আপনাকে উপযুক্ত সার্জন বা সাব-স্পেশালিস্টের কাছে রেফার করতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ নোট: এই তালিকা শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে। চিকিৎসকের চেম্বার, পদবি, হাসপাতাল, সিরিয়াল নম্বর ও ভিজিটিং সময় পরিবর্তিত হতে পারে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা চিকিৎসকের অফিসিয়াল মাধ্যমে বর্তমান তথ্য যাচাই করুন।

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ কত ?

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ কত ?

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ কত ? ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের সাথে মোকাবিলা করা মানসিক এবং আর্থিকভাবে উভয়ই অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের খরচ বোঝা পরিকল্পনা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা চাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই নিবন্ধে, আমরা ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের সাথে মোকাবিলা করা মানসিক এবং আর্থিকভাবে উভয়ই অপ্রতিরোধ্য হতে পারে। মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের খরচ বোঝা পরিকল্পনা এবং উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা চাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই নিবন্ধে, আমরা ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

খরচ প্রভাবিত করার কারণগুলি:

হাসপাতাল এবং সার্জনের দক্ষতা: হাসপাতালের সুনাম, সুবিধা এবং দক্ষতা এবং অপারেশন সম্পাদনকারী সার্জনের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিখ্যাত হাসপাতাল এবং অভিজ্ঞ নিউরোসার্জনদের উন্নত কৌশল এবং বিশেষ সরঞ্জামের কারণে উচ্চ ফি থাকতে পারে।

ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের পদ্ধতি: মস্তিষ্কের টিউমার নির্ণয়ের প্রক্রিয়ায় এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান এবং বায়োপসির মতো বিভিন্ন পরীক্ষা জড়িত। এই পদ্ধতির কারণে খরচ বেড়ে যায়।

টিউমারের ধরন এবং পর্যায়: ব্রেন টিউমারের ধরন এবং পর্যায় অপারেশনের জটিলতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আরও উন্নত বা জটিল ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে, যার ফলে খরচ বেড়ে যায়।

হাসপাতালে থাকা এবং অপারেটিভ পরবর্তী যত্ন: হাসপাতালে থাকার সময়কাল এবং অপারেটিভ পরবর্তী যত্নের প্রয়োজনীয় স্তর সামগ্রিক খরচে অবদান রাখে। এর মধ্যে রয়েছে রুম, ওষুধ, নার্সিং কেয়ার এবং ফলো-আপ পরামর্শ সংক্রান্ত খরচ।

পুনর্বাসন এবং ফলো-আপ যত্ন: মস্তিষ্কের টিউমার অপারেশনের প্রকৃতি এবং ব্যক্তির অবস্থার উপর নির্ভর করে, পুনর্বাসন এবং ফলো-আপ যত্ন প্রয়োজন হতে পারে। এই পরিষেবাগুলি, যেমন ফিজিওথেরাপি বা স্পিচ থেরাপি, সামগ্রিক খরচে অবদান রাখতে পারে।

ভ্রমণ এবং বাসস্থান: আপনি যদি ঢাকার বাইরে থাকেন, তাহলে আপনার নিজের এবং পরিবারের যে কোনো সদস্যের জন্য ভ্রমণ এবং বাসস্থানের খরচ বিবেচনা করতে হবে।

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ:

ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের খরচ সাধারণত ১,০০,০০০ টাকা থেকে ২,৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। যাইহোক, আপনার নির্দিষ্ট অবস্থা এবং চিকিত্সার প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে একটি সঠিক অনুমান পেতে একজন যোগ্যতাসম্পন্ন সার্জনের সাথে পরামর্শ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ-  আপনি যদি ঢাকায় ব্রেন টিউমার অপারেশনের কথা বিবেচনা করেন, তাহলে আরও বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ +880 1949-605525

সকল সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো –

ডায়াবেটিসে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন

ডায়াবেটিসে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন? ১০টি খাবার ও পানীয়

ডায়াবেটিসের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করবেন না লেখক: Hello Doctor Zone Editorial Team সর্বশেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ পড়তে সময়: ৬ মিনিট ...

ডায়াবেটিস হলে কোন খাবার খাবেন

ডায়াবেটিস হলে কোন খাবার খাবেন? স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা

ডায়াবেটিসের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করবেন না লেখক: Hello Doctor Zone Editorial Team সর্বশেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ পড়তে সময়: ৬ মিনিট ...

ডায়াবেটিস কী? কারণ, লক্ষণ, পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

ডায়াবেটিস কী? কারণ, লক্ষণ, পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

ডায়াবেটিসের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করবেন না লেখক: Hello Doctor Zone Editorial Team সর্বশেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ পড়তে সময়: ৬ মিনিট ...

গর্ভপাত: প্রকার, লক্ষণ, কারণ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

গর্ভপাত: প্রকার, লক্ষণ, কারণ, রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা

গর্ভপাতের লক্ষণ ও কারণ মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. সেঁজুতি সীমান্ত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পরে শতকরা ১০ ভাগ ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার পরিণতি গর্ভপাত হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পূর্বেই গর্ভপাত হয়ে যায়। সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং আশেপাশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কেন্দ্রের চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক শিশুর বাইরের জগতে বেঁচে থাকার জন্য প্রস্তুত হতে সময় কিছুটা কম-বেশি লাগতে পারে। তাই গর্ভপাতের সময়সীমা একেক দেশে একেক রকম হয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহ সম্পূর্ণ হওয়ার আগে গর্ভের সন্তান মারা গেলে তাকে গর্ভপাত বলে। অপরদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভে সন্তানের মৃত্যু ঘটলে তাকে মৃতপ্রসব বলা হয়।

মেডিকেল রিভিউ করেছেন ডা. সেঁজুতি সীমান্ত

একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পরে শতকরা ১০ ভাগ ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার পরিণতি গর্ভপাত হয়ে থাকে। তাছাড়া অনেক ক্ষেত্রে গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার পূর্বেই গর্ভপাত হয়ে যায়। সাধারণত প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

মা ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং আশেপাশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কেন্দ্রের চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে প্রত্যেক শিশুর বাইরের জগতে বেঁচে থাকার জন্য প্রস্তুত হতে সময় কিছুটা কম-বেশি লাগতে পারে। তাই গর্ভপাতের সময়সীমা একেক দেশে একেক রকম হয়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহ সম্পূর্ণ হওয়ার আগে গর্ভের সন্তান মারা গেলে তাকে গর্ভপাত বলে। অপরদিকে ২৮ সপ্তাহের পর গর্ভে সন্তানের মৃত্যু ঘটলে তাকে মৃতপ্রসব বলা হয়।

গর্ভপাতের লক্ষণ

গর্ভপাতের সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ হলো যোনিপথ বা মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্ত যাওয়া। এই রক্তপাতের মাত্রা কারও বেশি আবার কারও কম হয়। অন্তর্বাসে অথবা পায়জামায় রক্তের হালকা ছোপ ছোপ দাগ লাগা কিংবা বাদামী রঙের অল্প পরিমাণে রক্তপাত হওয়া থেকে শুরু করে টকটকে লাল রঙের এবং জমাট বাঁধা রক্তের দলাসহ ভারী রক্তপাত হতে পারে।

এই রক্তপাত কারও একটানা কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। আবার কারও ক্ষেত্রে রক্তপাত কিছু সময় বন্ধ থেকে কয়েক দিন পরে পুনরায় শুরু হতে পারে।

যোনিপথে রক্তপাত ছাড়াও গর্ভপাত হলে অন্যান্য যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে সেগুলো হলো—

  • তলপেট মোচড়ানো অথবা ব্যথা হওয়া
  • যোনিপথ দিয়ে তরল নির্গত হওয়া
  • যোনিপথ দিয়ে মাংসের দলার মতো কিছু নির্গত হওয়া
  • গর্ভধারণের লক্ষণগুলো না থাকা। যেমন: বমি বমি ভাব ও স্তনে ব্যথা

দ্রষ্টব্য, গর্ভকালের প্রথম দিকে যোনিপথে রক্তপাত হলে তা সব ক্ষেত্রে গর্ভপাত নির্দেশ করে না। এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি বা জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ করলে, মোলার প্রেগন্যান্সি, অর্থাৎ গর্ভধারণের পরিবর্তে গর্ভে থোকা থোকা মাংসের দলা সৃষ্টি হলে এবং ইমপ্ল্যানটেশন ব্লিডিং, অর্থাৎ ভ্রূণ জরায়ুর গায়ে বসার কারণেও মায়ের যোনিপথে রক্তপাত হতে পারে।

এসব ছাড়াও এই সময়ে অন্যান্য কোনো রোগের কারণেও রক্তপাত হতে পারে।  তাই এই সময়ে যোনিপথে রক্তপাত হলেই আতঙ্কিত না হয়ে নিকটস্থ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তবে এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি একটি ভয়াবহ জটিল সমস্যা। কেননা এর ফলে হঠাৎ করে শরীরের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে রক্তপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি রোগী রক্তপাতের কারণে মৃত্যুবরণও করতে পারে। তাই এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্র যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে।

এক্টোপিক প্রেগন্যান্সির লক্ষণ এবং লক্ষণ দেখা দিলে কী হতে পারে এসব জানতে এক্টোপিক প্রেগন্যান্সি আর্টিকেলটি পড়ুন।

গর্ভপাতের কারণসমূহ

গর্ভপাত নানান কারণে হতে পারে। সাধারণত গর্ভের সন্তান অথবা মায়ের বিভিন্ন রোগ ও ত্রুটির কারণে গর্ভপাত ঘটে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গর্ভপাতের কারণ সুনির্দিষ্টভাবে বের করা সম্ভব হয়ে ওঠে না।

প্রথম ত্রৈমাসিকে সাধারণত গর্ভের শিশুর কোনো ধরনের সমস্যার কারণে গর্ভপাত হয়ে থাকে। প্রথম ত্রৈমাসিকের পরের সময়গুলোতে মায়ের নানান রোগের কারণে গর্ভপাত হতে পারে।

এ ছাড়াও গর্ভের শিশুর চারপাশে কোনো ধরনের ইনফেকশন হলে ধীরে ধীরে পানি ভাঙতে শুরু হয়। এর ফলে কোনো ধরনের ব্যথা কিংবা রক্তপাত শুরু হওয়ার আগেই গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে।

আবার কখনো কখনো জরায়ুমুখ নির্দিষ্ট সময়ের বেশ আগে খুলতে শুরু করে। এ কারণেও গর্ভপাত হতে পারে।

গর্ভপাতের কারণগুলোকে ত্রৈমাসিক অনুযায়ী দুইটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যেমন—

প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাতের কারণ

গর্ভাবস্থার ১৩তম সপ্তাহ পর্যন্ত যে সময়কাল তাকে প্রথম ত্রৈমাসিক বলে। এসময়ে গর্ভপাত হওয়ার কারণগুলো হলো—

১. ক্রোমোজোমের সমস্যা

আমাদের দেহের যেকোনো অংশের গঠন কেমন হবে তা নির্ভর করে ‘ডিএনএ’ এর ওপর। অর্থাৎ শিশুর চেহারা অথবা চুলের রঙ থেকে শুরু করে তার শরীরের ভেতরের নানান অঙ্গের গঠনও ‘ডিএনএ’ এর ওপর নির্ভরশীল। আর ক্রোমোজোম হলো একাধিক ‘ডিএনএ’ এর সমষ্টি।

প্রতিটি মানুষের দেহে মোট ২৩ জোড়া, অর্থাৎ ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২৩টি আসে মায়ের শরীর থেকে আর বাকী ২৩টি আসে বাবার শরীর থেকে।

কখনো কখনো গর্ভধারণের সময়ে মা-বাবার কাছ থেকে ২৩টির কম অথবা বেশি ক্রোমোজোম চলে আসতে পারে। এর ফলে গর্ভের শিশুর দেহে ক্রোমোজোম সংখ্যা কম-বেশি হয়। ফলে সে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারবে না। এর পরিণতি স্বরূপ গর্ভপাত হতে পারে।

এ ধরনের ঘটনা কেন ঘটে সে সম্পর্কে এখনো সঠিকভাবে কিছু জানা যায়নি। এমনকি এ ধরনের ঘটনার পেছনে গর্ভের শিশুর মা-বাবার কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যাও দায়ী নয়। যে কারও ক্ষেত্রে এই ঘটনা ঘটতে পারে।

তবে স্বস্তির বিষয় এই যে, পরবর্তী কোনো গর্ভাবস্থায় এর পুনরাবৃত্তি হওয়ার আশঙ্কা কম।

২. গর্ভফুলের সমস্যা

গর্ভফুল বা প্লাসেন্টার মাধ্যমে মায়ের শরীর থেকে গর্ভের শিশুর দেহে রক্ত সরবরাহ হয়। এই রক্তের মাধ্যমে সে গর্ভের ভেতরে বেড়ে ওঠার জন্য পুষ্টি উপাদান পায়। তাই গর্ভফুলে কোনো সমস্যা থাকলে শিশুর রক্ত সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে।

৩. অন্যান্য কারণ

যে কারও যেকোনো সময় গর্ভপাত হতে পারে। তবুও কিছু বিষয় প্রথম ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত হওয়ার হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। যেমন—

  • গর্ভবতী মায়ের বয়স বেশি হওয়া
  • গর্ভবতী মায়ের ওজন অতিরিক্ত হওয়া
  • অতিরিক্ত ক্যাফেইনযুক্ত খাবার খাওয়া অথবা পানীয় পান করা। যেমন: চা ও কফি
  • ধূমপান করা অথবা ধূমপায়ীদের আশেপাশে থাকার কারণে সিগারেটের ধোঁয়া সেবন করা
  • মাদকদ্রব্য গ্রহণ করা
  • মদপান করা

দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে গর্ভপাতের কারণ

গর্ভাবস্থার ১৪তম সপ্তাহ থেকে ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত সময়কালকে দ্বিতীয় ত্রৈ মাসিক বলে। এই সময়ে যেসব কারণে গর্ভপাত হতে পারে—

১. মায়ের দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা

দীর্ঘ দিন মায়ের কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে এবং বিশেষ করে ঠিকমতো তার চিকিৎসা না নিলে অথবা তা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে, গর্ভপাতের আশঙ্কা বেড়ে যায়। যেসব রোগ থাকলে গর্ভপাতের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে সেগুলো হলো—

  • অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
  • অতিরিক্ত উচ্চ রক্তচাপ
  • সিস্টেমিক লুপাস ইরাইথামেটোসাস বা এসএলই
  • কিডনির রোগ
  • হাইপারথাইরয়েডিজম বা রক্তে থাইরয়েড হরমোন বেড়ে যাওয়া
  • হাইপোথাইরয়েডিজম বা রক্তে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া
  • অ্যান্টি ফসফোলিপিড সিনড্রোম

২. ইনফেকশন

গর্ভাবস্থায় মা কিছু ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে গর্ভপাতের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে। যেমন –

  • রুবেলা ভাইরাস
  • সাইটোমেগালো ভাইরাস
  • ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস। এক্ষেত্রে যোনিপথে স্বাভাবিক অবস্থায় থাকা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা অতিরিক্ত বেড়ে যায়
  • এইচআইভি
  • ক্ল্যামাইডিয়া
  • গনোরিয়া
  • সিফিলিস
  • ম্যালেরিয়া

৩. খাদ্যে বিষক্রিয়া

কিছু নির্দিষ্ট জীবাণু দ্বারা দূষিত খাবার খাওয়ার ফলে বিষক্রিয়া হলে গর্ভপাতের আশংকা বেড়ে যেতে পারে। যেমন—

  • অপাস্তুরিত দুধ অথবা দুগ্ধজাত খাবার থেকে লিসটেরিয়া ব্যাকটেরিয়ার বিষক্রিয়া
  • কাঁচা অথবা ভালোমতো সেদ্ধ না হওয়া মাংস থেকে টক্সোপ্লাসমার বিষক্রিয়া
  • কাঁচা অথবা আধা সিদ্ধ ডিম থেকে স্যালমনেলার বিষক্রিয়া

এজন্য দুধ ভালো ভাবে ফুটিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি ডিম, মাছ ও মাংস ভালো মতো রান্না করে খান। সুশি জাতীয় কাঁচা অথবা ভালোমতো সেদ্ধ না করা খাবার এড়িয়ে চলুন।

৪. ঔষধপত্র

কিছু ঔষধ সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ হলেও সেসব গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় এসব সেবন করলে তা গর্ভের সন্তানের বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে। এমনকি গর্ভপাতও ঘটাতে পারে।

গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায় এমন কিছু ঔষধ হলো—

  • মিসোপ্রস্টল
  • রেটিনয়েড
  • মেথোট্রেক্সেট 
  • বিভিন্ন ব্যথানাশক ও প্রদাহনাশক ঔষধ

সবচেয়ে ভালো হয় যদি গর্ভাবস্থায় যেকোনো ঔষধ নেওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া হয়। ‘ওভার দ্যা কাউন্টার’, অর্থাৎ প্রেসক্রিপশন ছাড়া ক্রয় করা যায় এমন ঔষধগুলো নিরাপদ কি না সেটিও ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিশ্চিত হয়ে নিলে ভালো হয়। ঔষধের নির্দেশিকা পড়ে নিলেও এক্ষেত্রে আপনি কিছু তথ্য জানতে পারেন।

৪. জরায়ুর গঠন

মায়ের গর্ভ, অর্থাৎ জরায়ুর গঠনে কিছু সমস্যা হলে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে গর্ভপাত ঘটতে পারে। যেমন: গর্ভাবস্থায় জরায়ুতে টিউমার বা ফাইব্রয়েড হলে এবং জরায়ুর আকৃতি অস্বাভাবিক হলে।

৫. দুর্বল জরায়ুমুখ

কিছু কিছু ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের পেশিগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পূর্বে কখনো জরায়ুমুখে কোনো আঘাত পেয়ে থাকলে বিশেষত কোনো অপারেশন হওয়ার কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হলে এমন সমস্যা হতে পারে।

পেশির দুর্বলতার কারণে জরায়ুমুখ গর্ভকাল শেষ হওয়ার আগেই প্রসারিত হয়ে যেতে পারে। ফলে গর্ভপাত ঘটতে পারে।

৬. পিসিওএস

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস এটি একটি হরমোনজনিত সমস্যা, যার ফলে ওভারি বা ডিম্বাশয় স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে যায়। ফলে ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক কাজকর্ম বাধাগ্রস্ত হয়। এই রোগে একজন নারীর শরীরে বিভিন্ন রকমের সমস্যা তৈরি হতে পারে। কিছু গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে যে, পিসিওএস আক্রান্ত নারীর গর্ভপাত হওয়ার আশংকা বেশি

ঢাকার গাইনিকোলজিষ্ট বা গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা নিম্নে দেয়া হলো –

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেসমিন জেরিন ASSISTANT PROFESSOR DR. JESMIN JERIN এমবিবিএস,এফসিপিএস(গাইনি ও অবস্‌)। সহকারী অধ্যাপক (ল্যাপারোস্কপিক সার্জন) - বারডেম হাসপাতাল, ঢাকা। প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ, ঢাকা।

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেসমিন জেরিন

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন - +8801301-971282 সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জেসমিন জেরিন প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব ব ...

ডায়াবেটিসে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন

ডায়াবেটিসে কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন? ১০টি খাবার ও পানীয়

ডায়াবেটিসের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করবেন না লেখক: Hello Doctor Zone Editorial Team সর্বশেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ পড়তে সময়: ৬ মিনিট ...

ডায়াবেটিস হলে কোন খাবার খাবেন

ডায়াবেটিস হলে কোন খাবার খাবেন? স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকা

ডায়াবেটিসের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করবেন না লেখক: Hello Doctor Zone Editorial Team সর্বশেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ পড়তে সময়: ৬ মিনিট ...

ডায়াবেটিস কী? কারণ, লক্ষণ, পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

ডায়াবেটিস কী? কারণ, লক্ষণ, পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের উপায়

ডায়াবেটিসের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ: যেসব উপসর্গ অবহেলা করবেন না লেখক: Hello Doctor Zone Editorial Team সর্বশেষ আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ পড়তে সময়: ৬ মিনিট ...

পুষ্টিবিদ ছাইদা লিয়াকত

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

পুষ্টিবিদ ছাইদা লিয়াকত বিসিএস (সম্মান), এমএসসি (খাদ্য ও পুষ্টি)। পুষ্টিবিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এএনডি। নিউট্রিশনিষ্ট- জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা। খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ

পুষ্টিবিদ ছাইদা লিয়াকত

খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ

বিসিএস (সম্মান), এমএসসি (খাদ্য ও পুষ্টি)। পুষ্টিবিদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট, এএনডি।

নিউট্রিশনিষ্ট- জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ রিফাত নাসের আল রহমান

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ডাঃ রিফাত নাসের আল রহমান রেসিডেন্ট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ। মেডিসিন লিভার, অগ্নাশয় ও পেটের পীড়া রোগে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। মেডিসিন, পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ চিকিৎসক- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-২৫৫১৬ হেপাটোলজিস্ট-লিভার বিশেষজ্ঞ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ রিফাত নাসের আল রহমান 

হেপাটোলজিস্ট-লিভার বিশেষজ্ঞ, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

রেসিডেন্ট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ। মেডিসিন লিভার, অগ্নাশয় ও পেটের পীড়া রোগে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত।

মেডিসিন, পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ চিকিৎসক-

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-২৫৫১৬

 

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ নুসরাত জাহান পাপরী

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

পরামর্শক ড. নুসরাত জাহান (পাপ্রি) এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এফসিপিএস (শিশুরোগ) বিশেষত্ব: শিশু বিশেষজ্ঞ অভিজ্ঞতার সারাংশ: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ডাঃ নুসরাত জাহান পাপরী

নবজাতক, কিশোর ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, ডিসিএইচ, এফসিপিএস (শিশুরোগ)
 
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জুলেখা সায়মা সুলতানা

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জুলেখা সায়মা সুলতানা এমবিবিএস, ডিজিও (গাইনী এন্ড অবস্‌)। সার্টিফিকেট কোর্স অন ডায়াবেটলজী (বাংলাদেশ ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন)। প্রাক্তণ সহকারী অধ্যাপক- আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-৪৪৭৭৭ প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ জুলেখা সায়মা সুলতানা

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, ডিজিও (গাইনী এন্ড অবস্‌)। সার্টিফিকেট কোর্স অন ডায়াবেটলজী (বাংলাদেশ ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন)।

প্রাক্তণ সহকারী অধ্যাপক- আদ্‌-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-৪৪৭৭৭

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৬০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ তানজিলা হালিম

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ডাঃ তানজিলা হালিম এমবিবিএস (ঢাকা), এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্‌)। বন্ধ্যাত্ব রোগে অভিজ্ঞ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ

ডাঃ তানজিলা হালিম

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ এবং বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস (ঢাকা), এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্‌)। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৭০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ হাসান মাহমুদ

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

ডাঃ হাসান মাহমুদ এমবিবিএস, এমডি (চর্ম ও যৌন)। কনসালটেন্ট- কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা। বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-৫২৬৫২ চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

ডাঃ হাসান মাহমুদ

চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

 

এমবিবিএস, এমডি (চর্ম ও যৌন)। কনসালটেন্ট- কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।

বিএমডিসি রেজিঃ নং- এ-৫২৬৫২

 

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳ ১০০০

পুরাতন রোগী - ৳ ৮০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ডাঃ মোঃ আবু বাসিত

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন -

মেডিসিন কার্ডিওলজি এবং ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস, এফসিপিএস (পার্ট-২, মেডিসিন), পিজিটি (কার্ড), সিসিডি (বারডেম) বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা।

ডাঃ মোঃ আবু বাসিত

মেডিসিন কার্ডিওলজি এবং ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ

এমবিবিএস, এফসিপিএস (পার্ট-২, মেডিসিন), পিজিটি (কার্ড), সিসিডি (বারডেম)

সিনিয়র মেডিকেল অফিসার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, শাহবাগ, ঢাকা।

ডাক্তারের ভিজিট

নতুন রোগী - ৳৬০০

পুরাতন রোগী - ৳৬০০

সিরিয়ালের জন্য ফোন করুন -

রোগী দেখার সময়-

বিঃদ্রঃ আপনি যদি এই তথ্যটি আপডেট অথবা মুছতে চান তবে দয়া করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।